শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জারের হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে ৩ ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করেছে কানাডা পুলিশ। গতকাল শুক্রবার তাঁদের কানাডার আলবার্টার এডমন্টন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কানাডার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ৩ ভারতীয় নাগরিক হলেন—কমলপ্রীত সিং, করমপ্রীত সিং ও করণ ব্রার। এই তিনজন দীর্ঘদিন ধরেই কানাডায় অস্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন বলে জানিয়েছেন রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট মানদীপ মূকার।
টরন্টোয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মানদীপ মূকার বলেছেন, ‘আমরা ভারত সরকারের সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃতদের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা তদন্ত করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি চলমান তদন্ত।’ রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সহকারী কমিশনার ডেভিড টেবল বলেছেন, ‘কানাডীয় কর্তৃপক্ষ ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলছে।’
ভারতে জন্মগ্রহণ করা শিখ আন্দোলনের নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার ২০০৭ সালে কানাডার নাগরিক হন। দেশটির ভ্যানকুভারের শহরতলি সারের শিখ মন্দিরের বাইরে গত বছরের জুন মাসে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তবে তার অনেক আগে থেকে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারত সরকার তাঁকে খুঁজছিল।
হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যাকাণ্ডের জেরে ভারত ও কানাডার মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। হত্যাকাণ্ডে দিল্লির হাত আছে বলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সরাসরি অভিযোগ করেন।
কানাডার পার্লামেন্টে ট্রুডো বলেন, হরদীপ হত্যায় ভারত সরকার জড়িত থাকার বিষয়ে কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার হাতে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ সূত্র রয়েছে। ট্রুডোর এ অভিযোগকে ‘অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করে ভারত সরকার।

আমার ভালোবাসা, আমাদের মেয়ে বড় হলে তাকে আমি জানাব, তুমি কীভাবে তাকে বাঁচিয়েছ। তাকে বলব, কীভাবে তুমি আমাদের মেয়ের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছ। শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত তুমি তাকে বুকে আগলে রেখেছিলে, তাকে জানাব, তুমি কতটা সাহসী নারী ছিলে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩ হাজার ৩৬০ জন। দেশটির সরকারের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে এখনো তৎপরতা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে ধ্বংসস্তূপের কাছে
৩ ঘণ্টা আগে
সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি মালবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার জের ধরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ‘বোকামির মতো লঙ্ঘনের’ অভিযোগ আনার পর এই হামলা চালানো হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
নতুন করে সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে চলমান আলোচনা ও ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে পড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে