ফেসবুক তৈরি হয়েছিল ২০০৪ সালে। দুই বছর পরই ২০০৬ সালে ফেসবুক বেচে দেওয়ার অফার পেয়েছিলেন এর সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। সেই সময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুক কিনে নিতে ভায়াকমের ৭৫০ মিলিয়ন বা ৭৫ কোটি ডলারের প্রস্তাব মার্ক জাকারবার্গ ফিরিয়ে দিলে ৯০০ মিলিয়ন বা ৯০ কোটি ডলারের অফার নিয়ে এসেছিল ইয়াহু। তবে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের সেই চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত হয়নি। বর্তমানে ফেসবুকের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১.২২ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ২২ হাজার কোটি ডলার।
ফেসবুক বেচে দেওয়ার অফারের সময় কী ভাবনা মনে এসেছিল সম্প্রতি তা প্রকাশ করেছেন জাকারবার্গ। পডকাস্টার দ্বারকেশ প্যাটেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।
পডকাস্টে জাকারবার্গকে দ্বারকেশ প্রশ্ন করেন—২০০৬ সালে আপনি ১ বিলিয়ন ডলারে ফেসবুক বিক্রি করেননি। আপনি কি ভেবেছিলেন, তারা এটির সঠিক মূল্যায়ন করেনি? যদি তারা আপনাকে ৫ ট্রিলিয়ন অফার করত অবশ্যই আপনি বিক্রি করতেন। তাহলে আপনি কীভাবে পুরো বিষয়টির লাভ-ক্ষতি নিয়ে ভেবেছিলেন?
জবাবে জাকারবার্গ জানান, সেই সময়টিতে তিনি এই বিশ্লেষণ করার জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞ ছিলেন না। তখন এমন অনেকেই ছিলেন যারা প্রায় বিলিয়ন ডলারে ফেসবুক বেচে দেওয়ার পক্ষে এবং বিপক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন।
জাকারবার্গ বলেন, ‘সে সময় আমরা যেখানে ছিলাম তার থেকে এটি অনেক এগিয়ে ছিল। এই ধরনের বিতর্কে জড়িত থাকার জন্য সত্যিই আমার আর্থিক অভিজ্ঞতার ঘাটতি ছিল।’
মেটা সিইও মনে করেন, তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাতে তিনি বিশ্বাস রাখেন। অফারের সময় ফেসবুক বিক্রি করে দিলে তিনি কী করবেন তা নিয়েই চিন্তা করছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, এটি বিক্রি করলেও শিগগিরই আরেকটি একইরকম প্রযুক্তি জায়ান্ট তৈরি করবেন তিনি। তাই বিক্রি করে কী লাভ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া অনেকের কাছেই ‘ড্রিম’। আর এই স্বপ্ন পূরণ করতে একেক জন আবেদন করেন একেক যোগ্যতায়। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে দেখা গেল দারুণ এক তথ্য। বিশ্বজুড়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সাররা ঝুঁকছেন দেশটির ভিসা নিতে।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের আয়োজনে সম্মেলনে দেশের তরুণ বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক গবেষণা, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা তুলে ধরবেন। কংগ্রেসে বিভিন্ন সেশন, গবেষণা উপস্থাপনা, প্যানেল আলোচনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। এর ফলে দেশের টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ডেটা সেন্টার সেবাসমূহ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই খাতগুলো আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল কার্যক্রমের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছ
১ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগের অংশ হিসেবে বড় আকারের কর্মী ছাঁটাই চালিয়েছে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওরাকল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি হতে পারে।
৪ দিন আগে