বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মানেই যেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ভেন্যু বদলায়, টুর্নামেন্টের ধরন বদলায়—তবু ম্যাচে টানটান উত্তেজনা থাকেই। কেউ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমানে—ব্যাপারটা অনেকটা এমনই। সনাথ জয়াসুরিয়াও মনে করেন তেমনটাই।
২০২৪ বিপিএল শেষে গতকালই বাংলাদেশের এ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা শুরু হয়। সিলেট আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ২০৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। রান তাড়া করতে নেমে এক পর্যায়ে বাংলাদেশের শেষ ৬ ওভারে দরকার ছিল ৮৩ রান। ৫ উইকেট পড়ে গেছে ততক্ষণে। সেখান থেকে ১ ওভারে ১২ রানের সমীকরণ নিয়ে আসে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৩ রানে জিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লঙ্কানরা। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ পাঁচ বারের মুখোমুখি দেখায় বাংলাদেশ জিতেছে ২ ম্যাচ ও ৩ ম্যাচ জিতেছে লঙ্কানরা। যার মধ্যে ২০১৮ সালে নিদাহাস ট্রফির দুই ম্যাচে বাংলাদেশ পেয়েছে রুদ্ধশ্বাস জয়। এরপর ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২২ এশিয়া কাপ—সংযুক্ত আরব আমিরাতে হওয়া দুই ম্যাচেই শ্রীলঙ্কার জিততে ঘাম ছুটে গেছে।
সিলেটেই আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। সিরিজ জিততে বাংলাদেশের এখন জয়ের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশকে এখানে আশাবাদী করতে পারে ২০১৮ এর সুখস্মৃতি। সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ হারলেও শেষ পর্যন্ত সিরিজ জেতে। সেটা ছিল বিদেশের মাঠে। এবার ঘরের মাঠে সিরিজ হওয়ায় বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখছেন না জয়াসুরিয়া। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পরামর্শক হিসেবে বাংলাদেশে আসা এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘তারা তাদের নিজেদের মাঠে খেলছে। তারা যেকোনো সময়ে ভালো করতে পারে।’
টস হেরে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে গতকাল শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটিং পায়। এক পর্যায়ে শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ১৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৩৬ রান। সেখান থেকে কোনো উইকেট না হারিয়ে শেষ ৫ ওভারে ৭০ রান যোগ করেছে লঙ্কানরা। ভারপ্রাপ্ত লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা ২১ বলে ৬ ছক্কায় ৪৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। প্রথম ম্যাচ প্রসঙ্গে জয়াসুরিয়া বলেন, ‘এটা ভালো একটা ম্যাচ ছিল। ভালো খেলেছে, ভালো ব্যাটিং করেছে ব্যাটাররা। হ্যাঁ, আমি মনে করি (সিরিজ জিতবে)। তারা (শ্রীলঙ্কা) ভালো করছে। ব্যাটাররা দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ভালো স্কোর গড়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছে।’

নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ১-০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে বাংলাদেশের যুবারা। মোহাম্মদ মানিকের দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।
৩ মিনিট আগে

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা।
২ ঘণ্টা আগে
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
৩ ঘণ্টা আগে