
ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর অন্তত ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ৩ সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার অনেকগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে আসা বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। তবে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো ইরানের অভ্যন্তরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়নি। এই হামলা গাজায় হামাস-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলায় রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনী আরও জানিয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ার সাতটি অবস্থানে ৮৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। এসব অবস্থানের মধ্যে চারটি সিরিয়ায় ও তিনটি ইরাকে।
সিরিয়া ও ইরাক এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে। সিরিয়া দাবি করেছে, সিরিয়া-ইরাক সীমান্তের মরু এলাকায় ‘আমেরিকান আগ্রাসনে’ বেশ ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়েছে। তবে কতজন নিহত ও কতজন আহত হয়েছে তা জানায়নি সিরিয়া।
ইরাকের সামরিক বাহিনীও বলেছে, এই হামলা এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া রসুল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই বিমান হামলা ইরাকের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আনতে ইরাক সরকারের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে এবং এমন একটি হুমকি তৈরি করে, যা ইরাক ও এই অঞ্চলকে মারাত্মক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।’
এদিকে, এই হামলা পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়া আজ শুরু হয়েছে। এটি আমাদের পছন্দমতো সময়ে ও নির্ধারিত স্থানে চলতে থাকবে।’ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, বাইডেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর অন্তত ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ৩ সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার অনেকগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে আসা বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। তবে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো ইরানের অভ্যন্তরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়নি। এই হামলা গাজায় হামাস-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলায় রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনী আরও জানিয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ার সাতটি অবস্থানে ৮৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। এসব অবস্থানের মধ্যে চারটি সিরিয়ায় ও তিনটি ইরাকে।
সিরিয়া ও ইরাক এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে। সিরিয়া দাবি করেছে, সিরিয়া-ইরাক সীমান্তের মরু এলাকায় ‘আমেরিকান আগ্রাসনে’ বেশ ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়েছে। তবে কতজন নিহত ও কতজন আহত হয়েছে তা জানায়নি সিরিয়া।
ইরাকের সামরিক বাহিনীও বলেছে, এই হামলা এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া রসুল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই বিমান হামলা ইরাকের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আনতে ইরাক সরকারের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে এবং এমন একটি হুমকি তৈরি করে, যা ইরাক ও এই অঞ্চলকে মারাত্মক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।’
এদিকে, এই হামলা পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়া আজ শুরু হয়েছে। এটি আমাদের পছন্দমতো সময়ে ও নির্ধারিত স্থানে চলতে থাকবে।’ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, বাইডেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে