কুমিল্লার তিতাসে আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা কামাল হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে তিতাস থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
মোস্তফা কামাল উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে। তিনি উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
নিহতের ছোট ভাই আবুবকর ছিদ্দিক বলেন, আড়াই বছর আগে একই গ্রামের সাইদুরের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ঝগড়া হয়। সেই থেকে বিভিন্ন সময় সাইদুর মোস্তফা কামালকে হত্যার চেষ্টা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান ও মোস্তফা কামাল এলাকায় নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাস খেলার কথা বলে মোস্তফাকে গতকাল সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় সাইদুর রহমান। পরে নয়াচর এলাকায় নিয়ে মোস্তফার গলায় ছুরিকাঘাত করেন। চিৎকারে শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সাইদুর পালিয়ে যায়।
তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসীন ভূঁইয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা পাঁচ–ছয়জনকের আসামি করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
কুমিল্লা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান জানান, পুলিশ আলামত সংগ্রহ করেছে। মোস্তফার বিরুদ্ধে পাঁচটি ও সাইদুরের বিরুদ্ধে চারটি চুরি–ডাকাতির মামলা রয়েছে।

রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
৪৩ মিনিট আগে
জামালপুরে পুলিশ চেকপোস্টে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত পাঁচ বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহত তিনজনই সম্পর্কে বাবা-ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে—দেশের মর্যাদা ও স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি স্থিতিশীল ও সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করা। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি শুধু নয়, সকল নীতিই পরিচালিত হবে ও প্রতিফলিত হবে—সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে।
২ ঘণ্টা আগে