নারীপক্ষের প্রয়াত সদস্য নাসরীন হক যেসব অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, তা শুধু নারী অধিকার আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি চেয়েছিলেন ধর্ম-বর্ণ-জাতিনির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে গভীর মানবিক সম্পর্ক তৈরি করতে। নাসরীন হকের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নারীপক্ষ আয়োজিত ‘দক্ষিণ এশিয়ায় নারী আন্দোলন নির্মাণের প্রচেষ্টা’ শীর্ষক নাসরীন হক স্মারক বক্তৃতায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় উইমেন্স অ্যাকশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা খাওয়ার মমতাজ বলেন, প্রতিটি দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান এবং জাতি গঠনের উদ্যোগে নারীদের স্বাধীন কণ্ঠস্বরের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ইতিহাস আমাদের বলে দেয়, রাষ্ট্র গঠনপ্রক্রিয়ায় নারীদের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় নারীর অধিকার এবং নারীবাদী চেতনার জোরদার বক্তব্যের জন্য সমসাময়িক আন্দোলনগুলো আশির দশকের পরবর্তী ঘটনা। গৃহ থেকে রাষ্ট্র—সর্বক্ষেত্রে নারীর গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্বের বিকাশ এবং নারী আন্দোলন আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নারীপক্ষের নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সভানেত্রী ফিরদৌস আজীম। নারীপক্ষ মনে করে, নাসরীন হক স্মারক বক্তৃতার আয়োজন তাঁর স্বপ্ন এবং কর্মতৎপরতাকে ধরে রাখার একটি বিশেষ উপায়।

কেউ তাঁকে চাঁদ এনে দেয়নি, বা চাঁদ এনে দেবে বলে প্রোপোজও করেনি! বরং তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল পৃথিবীর সেই নিষ্ঠুর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি—যা অদম্য, ক্ষমাহীন এবং এমন এক শক্তি যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নারীদের স্বপ্নকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
৭ দিন আগে
ব্যাপারটি বেশ গোলমেলে। যখন বাগানভরা ফুল থাকে শীতকালে এবং বেশির ভাগ মানুষ বাণিজ্যিক বাগান থেকে ফুল বিক্রি করেন, তখন তিনি বাগানে ফুটে থাকা ফুলের ছবি তোলেন, কিংবা ভিডিও করেন; কিন্তু বিক্রি করেন না। বসন্ত পেরিয়ে বাগান যখন উঠে যাওয়ার কথা পরবর্তী মৌসুমের ফুল চাষের জন্য প্রস্তুত হতে, তখনই তাঁর ব্যবসা শুরু
১১ দিন আগে
কেন্টের সেভেনওকসে গড়ে ওঠা একটা রেস্তোরাঁ শয়েন শয়েন। এর মূল ভিত্তি সিয়েরা লিওনের স্বাদ আর আভিজাত্যের মিশেল। যাঁর হাত ধরে এই হেঁশেলের উনুনে আগুন জ্বলে, তাঁর নাম মারিয়া ব্র্যাডফোর্ড। তিনি অবশ্য নিজের কাজকে ব্যাখ্যা করেন অন্যভাবে। মারিয়া বলেন, ‘শয়েন শয়েন হলো ২০১৬ সালে আমার জন্ম দেওয়া এক ভালোবাসার সন্ত
১১ দিন আগে
গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১৯০ জন নারী এবং কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, এই ১৯০ জনের মধ্যে নারী ১১৯ এবং কন্যাশিশু ৭১।
১১ দিন আগে