ভারতের তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দরাবাদে এক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় আজ সোমবার এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কখন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ওই ভবনটিতে আগুনের সূত্রপাত হয় মূলত ভবনটির নিচতলার গুদাম থেকে। যেখানে বেশ কয়েকটি ড্রামে দাহ্য রাসায়নিক পদার্থ মজুত ছিল। পুলিশ আরও জানিয়েছে, মূলত নিচ তলা থেকেই আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস বিভাগ সাংবাদিকদের জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হওয়ার পর অন্তত ২০ জনকে ভবনটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা আরও জানিয়েছে, ভবনটিতে থাকা অধিকাংশ ব্যক্তিই ভবনটির প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় বাস করতেন ভাড়াটিয়া হিসেবে। তারাই বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন। সেই তুলনায় ভবনটির তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় থাকা ভাড়াটিয়াদের তুলনামূলক কম ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির মালিকের নাম রমেশ জ্যাসওয়াল। ঘটনার পর থেকেই ওই ব্যক্তি পলাতক। রমেশই বাড়ির নিচতলাকে রাসায়নিক দ্রব্যের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করতেন।

এর আগে ৮ এপ্রিল ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, কোনো দেশ যদি ইরানকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করে, তবে সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা সব পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘কোনো দেশ ইরানকে সামরিক সহায়তা দিলে
২ ঘণ্টা আগে
টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানিয়েছে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে বিশাল অর্থনৈতিক মূল্য চুকাতে হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপির বড় ধরনের ক্ষতি এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ভবিষ্যতে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরোপুরি পরিষ্কার হবে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে সমঝোতা না হওয়ায় রণংদেহী মূর্তি ধারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (পুরোপুরি প্রস্তুত) অবস্থায় রয়েছে এবং উপযুক্ত সময়ে মার্কিন সামরিক
৩ ঘণ্টা আগে
১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া গালিবাফ একজন কট্টর রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূলে রয়েছে সামরিক অভিজ্ঞতা। ১৯৮০ সালে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন। ১৯৮০-র দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তিনি আইআরজিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে
৩ ঘণ্টা আগে