টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের রেশ নিয়ে ওয়ানডেতে খেলতে নেমেছিলেন বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের মেয়েদের কাছে ৫ উইকেটে হেরে যান। আজ তিন ম্যাচ সিরিজের সমতায় ফেরানো ম্যাচে ভালো শুরুর পরও ১৬৯ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।
মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। ব্যাটিংয়ে নেমে দেখে-শুনে শুরুটা করেন দুই ওপেনার মুর্শিদা খাতুন ও ফারজানা হক। উদ্বোধনী জুটিতে ২১ রান করেন তাঁরা। ১২ রানে সাদিয়া ইকবালের বলে মুর্শিদা আউট হলে ভেঙে যায় তাঁদের জুটি।
ওপেনিং সঙ্গীকে হারানোর পর তিনে নামা সোবহানা মোস্তারির সঙ্গে আরেকটি বিশোর্ধ্ব জুটি গড়েন ফারজানা। দলীয় রান ৪৩ হওয়ার সময় এবার তাঁকে ক্রিজে রেখে যান মোস্তারিও। ১৬ রানে নাশরা সান্ধুর এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। ইনিংসের বড় জুটিটি হয় তৃতীয় উইকেটে। যে জুটির কল্যাণে বাংলাদেশ ১৫০ রান পেরোনোর সুযোগ পায়।
তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়েন জ্যোতি-ফারজানা। দুজনে যেভাবে ব্যাটিং করছিলেন, তাতে একটা সময় মনে হয়েছিল ২০০ রানের ওপরে সংগ্রহ পাবে বাংলাদেশ। কিন্তু ৪০ রানে ফারজানা রানআউটে বিদায় নিলে ম্যাচের গতিপথ যায় বদলে। তখন ১৫০ হবে কি না, তা নিয়েই শঙ্কা জাগে। কেননা, তাঁর আউটের পর একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দেন বাংলাদেশের মেয়েরা।
তবে শেষ পর্যন্ত স্কোর ১৬৯ হয়েছে ‘নিঃসঙ্গ শেরপা’ হিসেবে একাই লড়ে যাওয়া জ্যোতির সৌজন্যে। নবম ব্যাটার হিসেবে যখন আউট হলেন, তখন বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হতে ১ বল বাকি ছিল। ড্রেসিংরুমে ফেরার আগে ফিফটি তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশি অধিনায়ক। তাঁর ৫৪ রানের ইনিংসে কোনো ছক্কা না থাকলেও চার আছে ৩টি। প্রতিপক্ষের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সাদিয়া ও নাশরা।

গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ইরান গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বেলজিয়াম বল দখলে আধিপত্য দেখালেও, ইরানের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই সাবধানী ফুটবল খেলেছে। ইরানের রক্ষণভাগ বেলজিয়ামের আক্রমণগুলোকে বারবার প্রতিহত করেছে। ২৬
৩ ঘণ্টা আগে
বারবিকিউর জন্য বিখ্যাত কানসাস সিটি। সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে আর্জেন্টিনা দল। দলটার ঐতিহ্যের সঙ্গে বারবিকিউর একটা বিশেষ যোগ আছে। বড় অভিযানে বের হলে আর্জেন্টিনা সাধারণত বেস ক্যাম্পে ‘আসাদো’র (আর্জেন্টাইন বারবিকিউ) আয়োজন করে থাকে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ অভিষেকেই সামনে পড়েছে জার্মানির মতো প্রতিপক্ষ। ১ লাখ ৬০ হাজার জনসংখ্যার কুরাসাও যে গোলবন্যায় ভেসে যাবে, মোটামুটি অনুমিতই ছিল। হলোও তাই, ৭-১ গোলের হারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেল তাদের। কিন্তু সেই কুরাসাও এভাবে ঘুরে দাঁড়াবে, তা কেই-বা কল্পনা করেছিল!
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯২ মিনিটে) ফাবিয়ান রুইসের পাস থেকে নিখুঁত ট্যাপ-ইনে বল জালে জড়িয়েছিলেন ফেরান তোরেস। তবে অফসাইডের সুক্ষ্ম মারপ্যাঁচে গোলটি নিয়ে গ্যালারিজুড়ে দর্শকদের দুয়োধ্বনির মাঝেই বেশ দীর্ঘ সময় ধরে চলে ভিএআর রিভিউ। শেষ পর্যন্ত তিন মিনিট পর রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করলে স্পেনের জয়
৬ ঘণ্টা আগে