দেশের নারী উদ্যোক্তাদের ব্যাংকঋণ পাওয়ার বিষয়টি আরও সহজ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কেবল পুরুষ নয়, নারীকেও জামানতকারী দেখিয়ে ঋণ নিতে পারবেন নারীরা। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে এফবিসিসিআইয়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশে ঋণ পাওয়ার জন্য নারী উদ্যোক্তাকে বাবা, ভাই কিংবা তাঁর স্বামীকে জামানতকারী হিসেবে দেখাতে হয়। কোনো নারীকে জামানতকারী হিসেবে দেখালে ব্যাংকগুলো সেটি গ্রহণ করতে চায় না। এ প্রক্রিয়া নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানান, নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়া সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো যেন নারীদের জামানতকারী হিসেবে গ্রহণ করে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়া সহজ করতে ব্যাংকগুলোকে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসা, বাণিজ্য এবং শিল্প খাতে নারীরা যেন আরও এগিয়ে আসতে পারে, সে লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়ার বিষয়টি ধাপে ধাপে আরও সহজ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেউ তাঁকে চাঁদ এনে দেয়নি, বা চাঁদ এনে দেবে বলে প্রোপোজও করেনি! বরং তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল পৃথিবীর সেই নিষ্ঠুর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি—যা অদম্য, ক্ষমাহীন এবং এমন এক শক্তি যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নারীদের স্বপ্নকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
৮ দিন আগে
ব্যাপারটি বেশ গোলমেলে। যখন বাগানভরা ফুল থাকে শীতকালে এবং বেশির ভাগ মানুষ বাণিজ্যিক বাগান থেকে ফুল বিক্রি করেন, তখন তিনি বাগানে ফুটে থাকা ফুলের ছবি তোলেন, কিংবা ভিডিও করেন; কিন্তু বিক্রি করেন না। বসন্ত পেরিয়ে বাগান যখন উঠে যাওয়ার কথা পরবর্তী মৌসুমের ফুল চাষের জন্য প্রস্তুত হতে, তখনই তাঁর ব্যবসা শুরু
১২ দিন আগে
কেন্টের সেভেনওকসে গড়ে ওঠা একটা রেস্তোরাঁ শয়েন শয়েন। এর মূল ভিত্তি সিয়েরা লিওনের স্বাদ আর আভিজাত্যের মিশেল। যাঁর হাত ধরে এই হেঁশেলের উনুনে আগুন জ্বলে, তাঁর নাম মারিয়া ব্র্যাডফোর্ড। তিনি অবশ্য নিজের কাজকে ব্যাখ্যা করেন অন্যভাবে। মারিয়া বলেন, ‘শয়েন শয়েন হলো ২০১৬ সালে আমার জন্ম দেওয়া এক ভালোবাসার সন্ত
১২ দিন আগে
গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১৯০ জন নারী এবং কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, এই ১৯০ জনের মধ্যে নারী ১১৯ এবং কন্যাশিশু ৭১।
১২ দিন আগে