নোবেল বিজয়ীদের পুরস্কারের অর্থ ১০ লাখ ক্রাউন বাড়ছে। আজ শুক্রবার পুরস্কারদাতা প্রতিষ্ঠান নোবেল ফাউন্ডেশন এ ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে ফাউন্ডেশন বলেছে, ২০২৩ সালে নোবেল বিজয়ীরা পুরস্কার হিসেবে মোট ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রাউন বা ৯ লাখ ৮৬ হাজার ডলার পাবেন। বর্তমান বিনিময় হার (১ ডলার সমান ১০৯ টাকা ৭৫ পয়সা) অনুযায়ী প্রায় ১০ কোটি ৮২ লাখ ১৮ হাজার টাকা।
গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ বাড়ানো-কমানো হয়। পুরস্কারদাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার উপর ভিত্তি করে পুরস্কারের অর্থ নির্ধারণ করা হয়।
২০১২ সালে আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় পুরস্কারের অর্থ ১ কোটি ক্রোনা থেকে কমিয়ে ৮০ লাখ ক্রোনা করা হয়। পাঁচ বছরের মাথায় ১০ লাখ বাড়িয়ে ৯০ লাখ ক্রোনা ও ২০২০ সালে আরো ১০ লাখ বাড়িয়ে ১ কোটি ক্রোনা করা হয়।
গত এক দশকে ইউরোর বিপরীতে সুইডিশ ক্রোনার মূল্য প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। অর্থাৎ পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো হলেও সুইডেনের বাইরে এর তেমন সুফল মিলবে না।
অথচ ২০১৩ সালেই পুরস্কারের অর্থ কমিয়ে ৮০ লাখ ক্রোনা করা হলেও বিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ীরা ১২ লাখ ডলার মূল্যের পুরস্কার পেতেন।
চলতি বছর ২ অক্টোবর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এর কয়েক দিনের মধ্যেই পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২০ মিনিট আগে
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে তিনি এমন ঘোষণা দিলেন।
৪১ মিনিট আগে
ফার্স নিউজ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সারি সারি ড্রোন রকেট লঞ্চারের ওপর বসানো রয়েছে। বাংকারের দেয়ালগুলো ইরানের জাতীয় পতাকা এবং সম্প্রতি প্রয়াত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে সাজানো। ভিডিওতে ড্রোনের এই বিশাল সম্ভারকে ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম
১ ঘণ্টা আগে
ইরানিরা তুরস্কের ‘ক্যাপিকয়’ সীমান্ত গেট দিয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরান থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, ‘তেহরানের পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই কঠিন। বোমা হামলা হচ্ছে। সবাই ভীত।’ তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা বর্তমানে তুরস্কেই রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে