সৌদি আরবের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টিপাতের পর আজ বুধবার মক্কার কর্তৃপক্ষ স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা গেছে হজ যাত্রীরা রাতারাতি প্রবল ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাত থেকে আশ্রয় নিচ্ছেন। গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, মক্কা আল মুকাররামার আশপাশে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।
দেশটির শিক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অস্থিতিশীল আবহাওয়ার কারণে বুধবার স্কুল বন্ধ থাকবে।
সৌদি আরবের ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি বলেছে, মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে, ফলে মুষলধারে বৃষ্টিপাত, শিলাবৃষ্টি এবং ধুলিঝড় হতে পারে। এতে জাজান, আসির, আল বাহা, মক্কা ও মদীনার কিছু অংশে দৃষ্টিসীমা হ্রাস পাবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, তীর্থযাত্রীরা প্রবল বাতাসের মধ্যে মসজিদে হারাম শরীফ প্রদক্ষিণ করছেন। এমনকি কাবা শরীফের পাশের বিখ্যাত ঘড়ির টাওয়ারে বজ্রপাত হয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও ব্যাপকভাবে শেয়ার হয়েছে।
অন্যান্য ভিডিওতে মক্কার দক্ষিণে জেদ্দায় বৃষ্টির কারণে প্রবল বন্যা দেখা গেছে। গত বছর, ভারী বর্ষণে মক্কা ও এর আশপাশে বন্যা দেখা দিয়েছিল। ওই বন্যায় শহরের কারগাড়িও ভেসে গিয়েছিল।

কলকাতার এক চিরাচরিত সকাল। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার চালাতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নেতা-কর্মীরা। তেমনই প্রচারে দেখা গেল ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীকে। পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি আর লাল ধুতি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা নির্ধারিত শিডিউল অনুসারেই হবে; এমনটি জানিয়েছে পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচক দলের অগ্রবর্তী সদস্যরা ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল অ্যারাবিয়া ও আল হাদাসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ঘরছাড়া করতে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, যৌন নিপীড়ন ও হয়রানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এমনটাই বলছেন মানবাধিকার ও আইনি বিশেষজ্ঞরা। ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুরা এসব বিষয়ে নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
জাপান প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এতদিন সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তর প্রাণঘাতী নয় এমন পাঁচটি শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ ছিল। সেই বিধিনিষেধ এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির পথ খুলে গেল। এতে জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্প বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে