
কোরবানির পশুর মধ্যে লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম গত বছরের চেয়ে ৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। লবণযুক্ত ঢাকায় গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫০-৫৫ টাকা, টাকার বাইরে ৪৫-৪৮ টাকা। গত বছর ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট চামড়া দাম ছিল ৪৭-৫২ এবং বাইরে ৪০-৪৪ টাকা।
আজ রোববার আসন্ন কোরবানি ঈদে চামড়ার দর নির্ধারণসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গতবারের তুলনায় এবার লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। লবণযুক্ত ঢাকায় গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫০-৫৫ টাকা, টাকার বাইরে ৪৫-৪৮ টাকা। গত বছর ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট চামড়া দাম ছিল ৪৭-৫২ এবং বাইরে ৪০-৪৪ টাকা। তবে খাসি ও বকরির চামড়া গত বছরের দামেই বিক্রি হবে। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চামড়ার দাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করলে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া বেচাকেনা হচ্ছে না। সিন্ডিকেটের কারণে পানির দরে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
গ্যাস-সংকটের কারণে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানাকে বয়লার ও জেনারেটর সচল রাখতে ডিজেলসহ অন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে উৎপাদনের পরিমাণ।
৩ ঘণ্টা আগে
পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স পেয়েছে বাংলালিংকের শতভাগ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরে অনুমোদিতভাবে পরিশোধ সেবা দিতে পারবে। বাংলালিংক ‘মুক্ত পে’ ব্র্যান্ডের অধীনে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা চালু করবে।
৭ ঘণ্টা আগে