
ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারবাহী লরি। আজ বুধবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার চেলারঘাট নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চার লেনের মধ্যে দুইলেনে চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে রাস্তায় কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আহত হয়েছেন তিনজন। ত্রিশাল থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। দুর্ঘটনার সময় একটি প্রাইভেটকারও নদীতে পড়ে যায়।
ত্রিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যারা আহত হয়েছেন তাদের মধ্যে গুরুতর কেউ নেই। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়েছে। পুরোনো এই ব্রিজটি ভারী ট্রান্সফরমারের লোড নিতে না পেরে ভাঙতে পারে।’
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি যানজট নিরসনে কাজ করছি।’
ত্রিশাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ট্রান্সফরমার বহনকারী একটি লরি ঢাকা থেকে জামালপুরের উদ্দেশে যাওয়ার সময় ব্রিজটি ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। তবে লরির যে ড্রাইভার তার কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। প্রাইভেটকারে থাকা পাঁচ যাত্রীর মধ্যে তিনজন আহত হয়েছেন। তবে তাঁদের অবস্থা গুরুতর নয়। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার কারণে দুটি রাস্তার একটি রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আরেকটি রাস্তা সচল আছে। যানবাহন চলাচল যাতে স্বাভাবিক থাকে তার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

টিকিট সংগ্রহ, চিকিৎসক দেখানো, ওষুধ নেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। সেই সঙ্গে রোগীদের কাছে নতুন আতঙ্কের নাম ট্রলি বয়। ট্রলি ব্যবহার করলেই তাঁরা রোগীপ্রতি নিচ্ছেন ৮০-১০০ টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালের হিসাব অনুযায়ী, ইআরএলে অপরিশোধিত তেল রয়েছে মাত্র ২৩ হাজার টন, যা পরিশোধন করতে সর্বোচ্চ ৭ দিন লাগতে পারে। ফলে এ রিফাইনারি বন্ধ হয়ে যেতে পারে ৭ এপ্রিল। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে অপরিশোধিত তেলের সর্বশেষ জাহাজটি এসেছে। ইরান ও ইসরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের কারণে হরমুজ...
৬ ঘণ্টা আগে
গত বছরের ২৭ মার্চ ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারান ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের মরিচালী গ্রামের ইয়াছিন শেখ। এক বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনো দেশে ফেরেনি তাঁর মরদেহ। সন্তানের শেষ মুখটি দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছেন মা ফিরোজা বেগম; প্রতিটি প্রহর যেন তাঁর কাছে একেকটি অনন্ত যন্ত্রণা।
৭ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা অঞ্চলের রেলপথজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অরক্ষিত ও অনুমোদনহীন লেভেল ক্রসিংগুলো যেন প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকি জেনেও প্রতিদিন হাজারো মানুষ এসব ক্রসিং ব্যবহার করছেন। গত পাঁচ বছরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ক্রসিংগুলোতে প্রাণ ঝরেছে অন্তত ৩৫৫ জনের। প্রায় ১৮৬ কিলোমিটার রেলপথে ১১৬টি অরক্ষিত...
৭ ঘণ্টা আগে