গত কদিনের গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। ঘরে-বাইরে কোথাও যেন স্বস্তি নেই। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৩ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকায় নেই তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনাও। এই অবস্থা আরও কদিন চলতে পারে। তাই আসুন জেনে নিই, এই গরম থেকে কীভাবে স্বস্তি পাওয়া যাবে।
বাইরে আরাম পেতে
ঘরে আরাম পেতে
তীব্র এই গরমে এসি ছাড়া ঘরেও শান্তি নেই। কিন্তু ঘরে এসি রাখার সামর্থ্য কি সবার থাকে! তবে এসি ছাড়াও প্রাকৃতিকভাবে ঘর ঠান্ডা রাখা সম্ভব।
এ ছাড়া শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে গেলে, অচেতন হয়ে পড়লে, মাথা ঘোরা দেখা দিলে, তীব্র মাথাব্যথা হলে, খিঁচুনি হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে নিয়ে যান। রোগীর শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় কাপড় খুলে ফেলুন। রোগীর শরীরে বাতাস করুন। কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে গা মুছে দিন। শরীরের তাপমাত্রা কমাতে বগল, ঘাড়, পিঠ ও কুঁচকিতে আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। সর্বোপরি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
শিশুর জন্য করণীয়

ঈদের টানা ছুটি কাটিয়ে এবার কাজকর্মে ফেরার পালা। একই সঙ্গে ঈদের খাওয়াদাওয়ার ফলে খানিক ভারী হয়ে যাওয়া শরীরকে আগের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ও বটে। উৎসবে বেশি খাওয়া হবে, তা নিয়ে অপরাধবোধে না ভুগে বরং ধীরেসুস্থে স্বাস্থ্যকর জীবনে ফেরার চেষ্টা করুন।
৪ ঘণ্টা আগে
একদিকে সূর্যের তেজ, অন্যদিকে পড়ার চাপ—দুটোই চলছে। গরমে সন্তানকে সুস্থ রাখতে বাড়তি যত্ন নিতে হবে। এই গরমে শিশুদের যেমন পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার জন্য বোঝাতে হবে, তেমনি ডায়েট এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনও করে তুলতে হবে আবহাওয়া উপযোগী।
৫ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদ শেষ। মাংস কাটাকাটি, মসলা তৈরি, রান্না, পরিবেশন, পরিচ্ছন্নতার ব্যাপক চাপ আর গরম—এই সবকিছু মিলিয়ে ত্বকের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে নিশ্চয়। এবার নজর দিন নির্জীব হয়ে যাওয়া ত্বকের দিকে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রচণ্ড গরমে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। তাই বারবার মুখ ধুতে হচ্ছে। ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের পর ত্বক আরও ঘামছে বলে মনে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে মসৃণতা হারাচ্ছে। কোনো সহজ সমাধান আছে কি?
৭ ঘণ্টা আগে