
ভারতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার খাবার নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন প্রখ্যাত শেফ সঞ্জীব কাপুর। তিনি টুইটারে এয়ার ইন্ডিয়ার দেওয়া খাবারের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ভারতীয়দের সকালের নাশতায় এটাই কি খাওয়া উচিত?
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঞ্জীব কাপুর এয়ার ইন্ডিয়ার ০৭৪০ নম্বর ফ্লাইটে নাগপুর থেকে মুম্বাই যাচ্ছিলেন। সেখানে খাবার অর্ডার করলে তাঁকে দেওয়া হয় চিকেন টিক্কা, সামান্য ফিলিং দেওয়া স্যান্ডউইচ, তরমুজ ও ফলের রসের বদলে ‘সুগার সিরাপ’। এই খাবার পেয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন সঞ্জীব কাপুর।
খাবারের ছবি তুলে তিনি টুইটারে পোস্ট করে লেখেন—‘দেখ, এয়ার ইন্ডিয়া। তোমাদের দেওয়া খাবার। তরমুজ, শসা, টমেটো ও সেভেন আপের সঙ্গে ঠান্ডা চিকেন টিক্কা, সামান্য বাঁধাকপি দিয়ে স্যান্ডউইচ ও চিনির সিরাপ। ভারতীয়দের সকালের নাশতায় এটাই কি খাওয়া উচিত?’
এই টুইটের কয়েক ঘণ্টা পরে এয়ার ইন্ডিয়া তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। টুইটারে তারা লিখেছে, ‘স্যার, আপনার মতামত আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের পরিষেবা আপগ্রেড করছি। আগামী দিনে আমাদের খাবার নিয়ে আপনার এমন অভিজ্ঞতা আর হবে না বলে আশা রাখি।’
এয়ার ইন্ডিয়া ভারতীয় টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এর আগেও এই উড়োজাহাজ সংস্থার খাবার নিয়ে সমালোচনা করেছেন অনেক যাত্রী। টুইটারে এক যাত্রী লিখেছেন, ‘আশা করি টাটা গ্রুপ এসব বিষয়ে নজর দেবে এবং তাদের পরিবেশিত খাবারের গুণগত মানোন্নয়ন করবে।’
অপর এক যাত্রী লিখেছেন, ‘আমি ফ্লাইটে খাবার খেতে ঘৃণা করি। তারা যে কফি ও চা দেয়, তা খুবই ভয়ানক। আমি আমার নিজের ফ্লাস্কে করে চা নিয়ে যাই।’ গত মাসে এক নারী যাত্রী অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আমি খাবারের মধ্যে পাথরের টুকরো পেয়েছিলাম। এ ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না।’

ভারতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার খাবার নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন প্রখ্যাত শেফ সঞ্জীব কাপুর। তিনি টুইটারে এয়ার ইন্ডিয়ার দেওয়া খাবারের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ভারতীয়দের সকালের নাশতায় এটাই কি খাওয়া উচিত?
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঞ্জীব কাপুর এয়ার ইন্ডিয়ার ০৭৪০ নম্বর ফ্লাইটে নাগপুর থেকে মুম্বাই যাচ্ছিলেন। সেখানে খাবার অর্ডার করলে তাঁকে দেওয়া হয় চিকেন টিক্কা, সামান্য ফিলিং দেওয়া স্যান্ডউইচ, তরমুজ ও ফলের রসের বদলে ‘সুগার সিরাপ’। এই খাবার পেয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন সঞ্জীব কাপুর।
খাবারের ছবি তুলে তিনি টুইটারে পোস্ট করে লেখেন—‘দেখ, এয়ার ইন্ডিয়া। তোমাদের দেওয়া খাবার। তরমুজ, শসা, টমেটো ও সেভেন আপের সঙ্গে ঠান্ডা চিকেন টিক্কা, সামান্য বাঁধাকপি দিয়ে স্যান্ডউইচ ও চিনির সিরাপ। ভারতীয়দের সকালের নাশতায় এটাই কি খাওয়া উচিত?’
এই টুইটের কয়েক ঘণ্টা পরে এয়ার ইন্ডিয়া তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। টুইটারে তারা লিখেছে, ‘স্যার, আপনার মতামত আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের পরিষেবা আপগ্রেড করছি। আগামী দিনে আমাদের খাবার নিয়ে আপনার এমন অভিজ্ঞতা আর হবে না বলে আশা রাখি।’
এয়ার ইন্ডিয়া ভারতীয় টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এর আগেও এই উড়োজাহাজ সংস্থার খাবার নিয়ে সমালোচনা করেছেন অনেক যাত্রী। টুইটারে এক যাত্রী লিখেছেন, ‘আশা করি টাটা গ্রুপ এসব বিষয়ে নজর দেবে এবং তাদের পরিবেশিত খাবারের গুণগত মানোন্নয়ন করবে।’
অপর এক যাত্রী লিখেছেন, ‘আমি ফ্লাইটে খাবার খেতে ঘৃণা করি। তারা যে কফি ও চা দেয়, তা খুবই ভয়ানক। আমি আমার নিজের ফ্লাস্কে করে চা নিয়ে যাই।’ গত মাসে এক নারী যাত্রী অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আমি খাবারের মধ্যে পাথরের টুকরো পেয়েছিলাম। এ ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৭ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে