‘আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশকে সফল করতে ৩০ নভেম্বর থেকে বাস, ট্রাক, ট্রেন ও পায়ে হেঁটে মানুষজন সভাস্থলে উপস্থিত হবেন। গণসমাবেশের দিন পুরো নগরী জনসমুদ্রে পরিণত হবে। যারা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করবে, তাঁদের সেখানেই প্রতিরোধ করা হবে। সরকারের জুলুম-নির্যাতন আর সহ্য করবে না বিএনপি’-বলে মন্তব্য করেছেন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু।
আজ শনিবার সকালে নাটোর জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সাবেক মেয়র বলেন, স্বাধীনতার মাস ডিসেম্বরে ঘোষণা দিয়ে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার লালসবুজ পতাকা এনেছিলেন। সেই অনুপ্রেরণায় রাজশাহী বিভাগের মানুষজন লাঠি হাতে সব বাঁধা অতিক্রম করে গণসমাবেশ সফল করবেন। শুধু নাটোর থেকেই লক্ষাধিক মানুষজন গণসমাবেশে অংশ নেবেন।
সভায় জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী গোলাম মোর্শেদ; বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিলন; নাটোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ; জেলা, সাত উপজেলা এবং আট পৌর ইউনিট বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যেসব নেতা-কর্মী ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি গণহত্যার দায়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগেরও বিচারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
২ ঘণ্টা আগে
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মাসহ প্রধান তিনটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে পদ্মা নদীর অন্তত চার স্থানে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও স্থায়ী নদীশাসনের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনার আটঘরিয়ায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার সৌর সেচ প্রকল্প চালু হওয়ার আগেই অচল হয়ে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্পের সৌর প্যানেল, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে। ফলে কৃষকদের জন্য নেওয়া একটি ভালো উদ্যোগ পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈরী আবহাওয়া ও অস্বাভাবিক জোয়ারে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চার ইউনিয়নের প্রায় ৮০০ মিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত মেরামত করা না হলে বর্ষার শেষ দিকে বাঁধ ভেঙে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে কয়েক স্থানে বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে