গর্ভকাল প্রত্যেক নারীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। ৪০ সপ্তাহের গর্ভকালকে মোট তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম তিন মাস প্রথম ত্রৈমাসিক বা ফার্স্ট ট্রাইমেস্টার। এ সময় গর্ভবতীর শরীরে নানা রকম পরিবর্তনের সূচনা হয়। এসব পরিবর্তনের কারণে বমি বমি ভাব, ক্লান্তিবোধ, স্তনে ব্যথা ও ভারী লাগা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং অরুচি হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শে এ সময় বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা জরুরি।
গর্ভস্থ শিশুর সঠিক ও পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য প্রথম তিন মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে শিশুর শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন এবং বিকাশ ঘটে। বেশির ভাগ গর্ভপাত ও জন্মগত ত্রুটি এই সময়ের মধ্যে ঘটে। তাই এ সময়ে কিছু ব্যাপারে সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি।
গর্ভকালীন প্রথম তিন মাসে সাধারণত অতিরিক্ত খাবার তেমন প্রয়োজন হয় না। তবে খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে সুষম ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে ফল ও সবজি।
যেকোনো ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার, সামুদ্রিক খাবার, জাংকফুড, পেঁপে, আনারস, কামরাঙ্গা, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার, অর্ধসেদ্ধ মাংস, অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার।
গর্ভের প্রথম তিন মাস চিকিৎসকের পরামর্শে হালকা ব্যায়াম শরীরের জন্য উপকারী। তবে এ সময় খুব বেশি ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।
ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করতে পারে। ফলে ঘুম কম হওয়া, বিরক্তি ও স্নায়বিক দুর্বলতা হতে পারে। এতে গর্ভপাতের আশঙ্কা বাড়তে পারে। তাই ক্যাফেইন গ্রহণ, অর্থাৎ চা বা কফি পান সীমিত করা উচিত।
এ সময় মায়েদের দিনে দুই ঘণ্টা বিশ্রাম এবং রাতে কমপক্ষে আট ঘণ্টা পরিপূর্ণ ঘুম প্রয়োজন। শিশুর বিকাশের জন্য এটি খুব দরকারি।
হরমোনের পরিবর্তন ও তারতম্যের কারণে অনেক মা গর্ভকালীন মানসিক চাপ বা স্ট্রেস অনুভব করতে পারেন। প্রতিদিন ধ্যান, প্রার্থনা ও মেডিটেশন এ ক্ষেত্রে বেশ সহায়ক। প্রতিদিন কিছুটা সময় বই পড়া, গান শোনা, হাঁটাহাঁটি মানসিক চাপ অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে। তা ছাড়া স্বামী এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটালে মানসিক চাপ মোকাবিলা করা অনেক সহজ হয়।
গর্ভের প্রথম তিন মাস ভ্রূণ গঠনের মূল সময়। তাই এ সময় বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। যেমন:
সুস্থ সন্তান মানেই সুস্থ প্রজন্ম। সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশু জন্মদানের জন্য অন্যতম শর্ত হচ্ছে, গর্ভবতী মায়ের যত্ন ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে ডেপুটেশন ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে দেশে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে দেশজুড়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬১ জনে।
৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি (এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র) সেন্টারে ২০২৫ সালে ৩ হাজার ৯৪২ জনকে এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে এইচআইভি পজিটিভ (এইডস আক্রান্ত) শনাক্ত হয়েছেন ৮১ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ১৫ জন মারা গেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
হামবিষয়ক হালনাগাদ তথ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও একজন মারা গেছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪২ জন।
১ দিন আগে