বরখাস্ত করা হয়েছে যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ার্টেংকে। লন্ডনের স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ব্রিটিশ সরকার এবং কনজারভেটিভ পার্টির একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোয়াসি কোয়ার্টেং গতকাল বৃহস্পতিবারই বলেছিলেন যে, তিনি সরকারের বিতর্কিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কারণে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়া সত্ত্বেও ‘কোথাও যাচ্ছেন না’। অথচ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। কোয়ার্টেং নিজেও তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে তাঁর দায়িত্ব চ্যুতির বিষয়টি পরিষ্কার করে একটি টুইট শেয়ার করেছেন।
ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বহুল আলোচিত প্রধানমন্ত্রিত্ব শেষে আলোচনার জন্ম দিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন লিজ ট্রাস। তিনি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখনই এরই মধ্যে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এ ছাড়া অভিবাসী চ্যালেঞ্জসহ তাঁকে নানামুখী চাপের মধ্যে দায়িত্ব নিতে হয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, লিজ ট্রাস তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্ব রক্ষার্থেই অর্থমন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছেন।
এদিকে, কোয়াসি কোয়ার্টেং ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। ব্রিটেনের সবচেয়ে স্বল্পকালীন অর্থমন্ত্রী ছিলেন ইয়ান ম্যাকলিওড। ১৯৭০ সালে তিনি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৩০ দিনের মাথায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ ঘণ্টা আগে