Alexa
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

প্রত্যাখ্যানের ‘আনন্দ’ আখ্যান

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৩৪

প্রত্যাখ্যান উদ্‌যাপন করুন, ব্যর্থতাকে ছুটি দিন। প্রতীকী ছবি। মডেল: সামিরা খান মাহি, ছবি: রনি বাউল

প্রত্যাখ্যান। এই এক শব্দের ভেতরেই আছে অগ্রাহ্য, উপেক্ষা, অনাদর। আছে পরিত্যাগ বা পরিহার। কিন্তু শিরোনামে দেওয়া ‘আনন্দ’ কখনোই সচরাচর শাব্দিকভাবে প্রত্যাখ্যানের সঙ্গে মেলে না। বাংলা বা ইংরেজি—দুই ভাষাতেই প্রত্যাখ্যান মানেই যেন বিষাদের বাতাবরণ। কিন্তু কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ধার করা পঙ্‌ক্তিতে বললে এবারের ভাবনাটা দাঁড়ায়, প্রত্যাখ্যানে দুমড়ে-মুচড়ে যেতেই পারি, কিন্তু কেন যাব?

প্রত্যাখ্যাতদের প্রত্যাখ্যান সব সময়ই বোঝায়, ‘তুমি অযোগ্য, তুমি ব্রাত্য’। আর সেই অনুভূতিই আমাদের নিদারুণভাবে বোঝায় সফলতা ও ব্যর্থতার সংজ্ঞা। এক ধাক্কায় ফেলে দেয় অসফলের কাতারে। কিন্তু আসলেই কি প্রত্যাখ্যান মানেই সকরুণ ব্যর্থতা? নাকি এক প্রত্যাখ্যান মানেই আরও বহু সম্ভাবনার দুয়ার?

প্রথম প্রশ্নটায় ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার মানুষ পাওয়া যাবে ঢের। এই সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিটাই যে তেমন। ধরুন, আপনি নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করলেন শিক্ষাজীবনে ভালো ফল করার। কিংবা একদা মনের দেওয়া-নেওয়া হওয়া মানুষটি বলে দিলেন, ‘আর নয়।’ অথবা পড়াশোনা শেষের পর একের পর এক জীবনবৃত্তান্তের প্রিন্ট কপি দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মানবসম্পদ বিভাগের ই-মেইল ঠিকানায়। কিন্তু সুফল এল না। এমনকি এল না কোনো প্রকার ফলও। হয়তো খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েও কিছু কিছু ঘাটতিতে ফসকে গেল কাঙ্ক্ষিত সিজিপিএ। হয়তো শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকার পরও প্রাথমিক সাক্ষাৎকারের জন্য ডাক দিল না কোনো প্রতিষ্ঠান। এই প্রত্যাখ্যান আপনার আশপাশের মানুষ দেখবে আপনার ব্যর্থতা হিসেবে। শুধু দেখেই ক্ষান্ত হবে না তারা, পদে পদে মনেও করিয়ে দেবে সকালে তারস্বরে বেজে যাওয়া মোবাইলের অ্যালার্মের মতো। ওদিকে বারবার নিজের প্রত্যাখ্যানের পোস্টার দেখতে দেখতে আপনার মনে হতেই পারে, ‘আমি হয়তো ব্যর্থই!’

প্রত্যাখ্যাত হয়ে হতাশ হয়ে পড়ার দিন হয়তো মানুষ শেষ করে এনেছে। পশ্চিমা সমাজে শুরু হয়েছে প্রত্যাখ্যান বা ব্যর্থতা উদ্‌যাপনের সংস্কৃতি। মানুষ এখন নিজের আবেগগুলো নিয়ে আরও স্বচ্ছ হতে চলেছে। এই প্রক্রিয়া মানুষকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। 

ঠিক এমন মুহূর্তটিকে ঠেকানোর জন্যই আসলে দ্বিতীয় প্রশ্নটির অবতারণা। তার মানে এই নয় যে রবার্ট ব্রুসের সেই আদ্যিকালের বদ্যি গল্প শুনিয়ে আপনাকে শক্তি জুগিয়ে যাওয়াই এই লেখার একমাত্র উদ্দেশ্য। একটু অন্যভাবে বরং পুরো বিষয়টি দেখা যাক।

প্রত্যাখ্যানে কী হয়

প্রত্যাখ্যানে মানুষের আসলে কী হয়? যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক ইউনিভার্সিটির সাইকোলজি ও নিউরোসায়েন্সের ইমেরিটাস অধ্যাপক মার্ক লিয়েরি প্রায় কয়েক দশক ধরে প্রত্যাখ্যানের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি গবেষণায় পেয়েছেন, প্রত্যাখ্যান একজন ব্যক্তির উৎসাহ-উদ্দীপনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। নতুন করে ফের শুরু করার বিষয়টিই থমকে যায় অনেক ক্ষেত্রে। এমনকি কখনো কখনো একজন ব্যক্তি আশপাশের চেনা বলয় থেকে নিজেকে বিচ্যুত বলে ভাবতে শুরু করে।

মার্ক লিয়েরি বলছেন, প্রত্যাখ্যানের প্রতি মানুষ খুবই সংবেদনশীল থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মস্তিষ্কের যেসব অংশ শারীরিক ব্যথা পেলে উদ্দীপ্ত হয়, প্রত্যাখ্যানেও ঠিক তাই-ই হয়। কারণ প্রত্যাখ্যানে শুধু যে আফসোস সৃষ্টি হয়, তা কিন্তু নয়; বরং সেই সঙ্গে তৈরি হয় উদগ্র চেষ্টার পরও আকাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাতে না পাওয়ার মনোবেদনা। বুঝুন তবে, প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা কতটা তীব্র!

প্রত্যাখ্যান উদ্‌যাপন করুন

যন্ত্রণার তীব্রতা থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন সমাজে, বিশেষত পশ্চিমা দেশগুলোতে শুরু হয়েছে প্রত্যাখ্যান উদ্‌যাপনের চর্চা। প্রত্যাখ্যানও যে উদ্‌যাপন করা যায় আনন্দের সঙ্গে, সেই ধারণাই গড়ে উঠছে ধীরে ধীরে। প্রত্যাখ্যানেই তো জীবনের শেষ নয়; বরং এই প্রত্যাখ্যানকে গলার মালা করে নিতে পারলে, জীবনের যাপনটা অনেক সহজ হয়ে ওঠে। এমন ধারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে এবং তা সহজভাবে মেনে নিতে মানুষ ভয় পায়। সেই ভয় থেকেই আসে নিজেকে ব্যর্থ মনে করার ভাবনা। আর তখন আশপাশ থেকে মানুষ নিজেকে গুটিয়ে নেয়। সেই গুটিয়ে নেওয়া থেকে শুধু লম্বাই হতে থাকে ব্যর্থতার তালিকা। কারণ তখন যে নতুন কিছু করার বা ফের চেষ্টা করার প্রেরণাটাই হারিয়ে যায় দূর আকাশে।

প্রত্যাখ্যান উদ্‌যাপনের চর্চার দু-একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার কগনিটিভ সায়েন্সেসের অধ্যাপক বারবারা ডব্লিউ সারনেকা গত বছরের জুনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক পার্টির আয়োজন করেছিলেন। সেটির মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের ‘শততম’ প্রত্যাখ্যান উদ্‌যাপন। মূলত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যানের সংখ্যা যখন ১০০ পেরিয়েছে, তখনই এই পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। সাফল্য উদ্‌যাপনে যেমনটা হয়, ঠিক তেমনি উচ্ছল ছিল সেই ‘প্রত্যাখ্যান’ উদ্‌যাপন। এ নিয়ে অধ্যাপক বারবারা সারনেকা বলেছেন, ‘এই ভাবনাটা আসে বিভিন্ন প্রত্যাখ্যানকে চিহ্নিত করা, একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করা এবং সেসব উদ্‌যাপনের প্রসঙ্গে। আমরা প্রত্যাখ্যানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারি না, এ নিয়ে আলোচনাও করতে চাই না সাধারণত, লজ্জিত থাকি। আর উদ্‌যাপন তো দূরের বিষয়। আমরা সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করতে চেয়েছি এবং তা করেছি সবাই মিলে।’

এভাবেই পশ্চিমা দেশগুলোতে ‘রিজেকশন কালেকশন’-এর ধারণা জনপ্রিয় হচ্ছে; যাতে জীবনের নানা স্তরে পাওয়া প্রত্যাখ্যানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, সাদরে বরণ করেও নেওয়া হয়। এতে দূর হয় প্রত্যাখ্যান নিয়ে তাবৎ গোপনীয়তা। কারণ মানুষের জীবন প্রত্যাখ্যান ও ব্যর্থতায় ভরপুর। হ্যাঁ, কারও কারও ওপর হয়তো তথাকথিত সৌভাগ্যদেবীর আশীর্বাদ প্রবল থাকে। কিন্তু কতিপয় ব্যতিক্রমে তো আর সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভেসে যায় না।

‘যারা সচল থাকে না, তারা নিজেদের শৃঙ্খলও বোঝে না।’ বলেছেন রোজা লুক্সেমবার্গ। প্রত্যাখ্যাত হলে হতাশ না হয়ে বরং নিজের ব্যর্থতাগুলো নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করুন। এতে আপনি সচল থাকবেন এবং আপনার সামনে নতুন পথ খুলে যাবে।  

শুধু রিজেকশন কালেকশনই নয়, আছে ‘ফেইলিউর সিভি’ তৈরির ধারণাও। ২০১৬ সালে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির এক অধ্যাপক এই ফেইলিউর সিভি তৈরি করে নিজের জীবনের ব্যর্থতার খতিয়ান জানিয়েছিলেন। সেই থেকে ব্যর্থতা নিয়ে এই অকপট স্বীকারোক্তি ব্যর্থতায় নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার ট্যাবু ভাঙার উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এর মাধ্যমে নিজেদের ব্যর্থতা জনসমক্ষে স্বীকার করে নেওয়া হয় এবং প্রত্যাখ্যান যে মানবজীবনের একটি অতি সাধারণ অংশ, সেটিই বুঝিয়ে দেওয়া হয় এক লহমায়।

ব্যর্থতাকে দিন ছুটি

প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর বা ব্যর্থতায় ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে জীবনতরীতে নিজেকে ভাসিয়ে রাখার লক্ষ্যে। এমনই কিছু কৌশল সম্পর্কে এবার জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমত, অন্যের ব্যর্থতার গল্প কিছুটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে হলেও জানা শুরু করা যেতে পারে। কারণ অন্যের ব্যর্থতার কাহিনি আমাদের নিজস্ব ব্যর্থতায় সৃষ্ট ভয়কে কাটিয়ে দিতে সক্ষম। চিকিৎসক ও থেরাপিস্টরা এই পদ্ধতি ব্যবহারে সায় দিয়ে থাকেন প্রায়ই। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিয়াওদং ডি. লিন দীর্ঘদিন বিজ্ঞানী, ক্রীড়াবিদ ও সাধারণ পেশার মানুষদের জীবনের ব্যর্থতা ও তার সম্মুখীন হওয়ার সংগ্রাম নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি মনে করেন, এই পদ্ধতিতে মানুষের মনের ভয় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং এর ক্ষতি করার আশঙ্কাও কমে।

দ্বিতীয়ত, সফলতার জন্য কাঙাল হওয়া বন্ধ করা যেতে পারে। সাধারণত একটি কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তাতে সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়ে মনোযোগী হয়ে পড়ি। ফলে ক্রমান্বয়ে উন্নতির ব্যাপারটি আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। তাই নিজেদের আশাহত হওয়ার উদ্দাম ঘোড়াকে লাগাম পরাতে চাইলে, শুরুতেই মন দিতে হবে উন্নতিতে, সাফল্যে নয়। কারণ আপনি যদি কোনো কাজে বিফলও হন, তবু চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে দেখবেন, সেই আপাত ব্যর্থতাতেও কিছু না কিছু উন্নতি আছেই।

তৃতীয়ত, প্রত্যাখ্যান মানেই চেষ্টার সত্যায়ন। রোজা লুক্সেমবার্গের এ কথাটি মনে রাখবেন, ‘যারা সচল থাকে না, তারা নিজেদের শৃঙ্খলও বোঝে না।’ সুতরাং, প্রত্যাখ্যান বা ব্যর্থতা আসলে আপনার ঘাটতি বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এ-ও দেখিয়ে দেয় যে আপনি চেষ্টা করেছিলেন। এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিকেটার ক্রিস গেইল হয়তো সব বলে ছক্কা হাঁকান না, কিন্তু চেষ্টা জারি থাকে বলেই শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো ওভারে বল মাঠের বাইরে যায়-ই!

চতুর্থত, কিছু কিছু ক্ষেত্রে চামড়া মোটা থাকাটাও কল্যাণকর! আপনি যত বেশি প্রত্যাখ্যাত হবেন, তত বেশি সেটি আপনার কাছে সহজ বিষয় হয়ে উঠবে। এটি আপনার দক্ষতা নিয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ তৈরি করে দেবে। মানবজীবনে দক্ষতাই সব। আর দক্ষতা কোনো জন্মগত বিষয়ও নয় যে কখনোই তা অর্জন করা যাবে না। তাহলে আর প্রত্যাখ্যাত হতে ভয় কিসের!  

পঞ্চমত, ব্যর্থতার কথা ভেবে দিন-রাত গুজরানের বদলে চলুন, নিজেদের কাজ নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করি। যেহেতু কেউই শতভাগ নিখুঁত হয় না, সেহেতু খুঁতগুলো চিহ্নিত করা যেতেই পারে। আর সেটি নিজে করতে পারলে তো সোনায় সোহাগা। এতে পরবর্তী উদ্যোগগুলো সফল না হয়ে পারেই না!

শেষটা করা যাক বিখ্যাত উদ্ভাবক ও বিজ্ঞানী থমাস আলভা এডিসনের জীবনের একটি বহুল প্রচলিত ঘটনা দিয়ে। ল্যাবরেটরিতে নিজের ব্যর্থ প্রচেষ্টাগুলো সম্পর্কে তিনি একদা বলেছিলেন, ‘আমি ব্যর্থ হইনি। আমি বরং হাজার দশেক উপায় খুঁজে পেয়েছি, যেগুলো আদতে কাজ করে না।’

অকার্যকর উপায়গুলো খুঁজে পাওয়াটাও কিন্তু দিন শেষে কার্যকর থাকারই নির্দেশক। সুতরাং, উদ্‌যাপন হোক তবে সব প্রত্যাখ্যান ও তৎসংশ্লিষ্ট ব্যর্থতার!

তথ্যসূত্র: ফোর্বস, দ্য আটলান্টিক, মিডিয়াম ডট কম, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ডট ওআরজি, স্মিথসোনিয়ান ম্যাগ ও অক্সফোর্ড রেফারেন্স ডট কম।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    মা‌ছের ম‌রিচ‌খোলা

    এগজস্ট ফ্যানের যত্ন 

    টক ঝাল মিষ্টি বেগুন 

    কম তেলে পাঁচমিশালি সবজি ভাজি

    কম মসলায় চাপিলা মাছের ঝোল

    একটি প্রাচীন খাবারের নাম ‘হামাস’

    পদত্যাগ করলেন ইউপিডিএফের বান্দরবান জেলার আহ্বায়ক ছোটন 

    রাঙামাটির দুর্গম অঞ্চলে ‘জেএসএস সমর্থককে’ গুলি করে হত্যা

    গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘর ছাড়া বিএনপির নেতারা

    দিনটা অস্ট্রেলিয়ার করে রাখলেন লাবুশেন

    আয়াত হত্যাকাণ্ড: মরদেহের অংশবিশেষ উদ্ধারের দাবি পিবিআইয়ের

    রাজশাহীতে ৮ শর্তে গণসমাবেশের অনুমতি পেল বিএনপি