পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম আজ বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘বান্দরবান সংলগ্ন সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অস্থিরতায় সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীগুলোকে সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।’
গত ২০ ও ২৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে মর্টার শেল বাংলাদেশের ভেতরে এসে পড়া এবং সে দেশের অভ্যন্তরে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে নতুন করে যাতে সে দেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য এ সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান শাহরিয়ার আলম।
মর্টার শেল বাংলাদেশে এসে পড়ার ঘটনায় সরকার গত ২১ ও ২৯ আগস্ট ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ গত ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন ঘুমধুম এলাকার জনবসতিতে দুটি মর্টার শেল আছড়ে পড়েছে। অবশ্য কোনোটিই বিস্ফোরিত হয়নি।
মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতীতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমারের উত্তর মংডুর ৩৮ নং সীমান্ত পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও রাখাইনের বিচ্ছিন্ন বাদী সংগঠন আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে।
এ ছাড়া রাখাইনের পালেতুয়া এলাকায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩৭ জন মিয়ানমার সেনা নিহত হয় বলে উল্লেখ করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

‘সিটি করপোরেশন, পৌরসভা থেকে শুরু করে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত এই মন্ত্রণালয়ের যে দায়িত্ব রয়েছে, সেটা আমরা সঠিকভাবে পালন করতে চাই। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠী তথা শহরের সিটি করপোরেশনের মানুষের কাছে উপহার দেওয়ার জন্য আমাদের এই মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ৬ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত ফেনী, বগুড়া, যশোর, কুষ্টিয়া গোপালগঞ্জ ও কক্সবাজার জেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ফেনীতে। সেখানে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের জলপথকে কাজে লাগিয়ে পণ্য পরিবহনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে