Alexa
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

বাইডেন-সি ফোনালাপ

তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা না বাড়ানোর নেপথ্যে

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২২, ১০:৩৩

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। ছবি: টুইটার বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ভূরাজনীতি, অর্থনীতি, সামরিক প্রতিযোগিতা, মানবাধিকারসহ নানা বিষয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এদিকে তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি রাশিয়ার-ইউক্রেন হামলার পর যেন বেড়েছে। এ অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের গত বৃহস্পতিবারের ফোনালাপে স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপটি নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হবে বলে ধারণা করেছিলেন অনেকে। কিন্তু তা হয়নি।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের বরাতে আল জাজিরা জানায়, ‘তাইওয়ান নিয়ে আগুন আগুন খেলা না খেলতে বাইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সি। যে দেশ খেলবে, সেটা আগুনে পুড়ে ছাই হবে। আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র তা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে।’

অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, চীন বিষয়ে একনীতিতে অনড় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে কোনো দেশ তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করলে তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না যুক্তরাষ্ট্র।

দুই প্রেসিডেন্টের আলাপের পর বাইডেনকে এক বিবৃতিতে ধন্যবাদ জানিয়েছে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, ‘বাইডেনের সমর্থনের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হবে।’

বাইডেন-সির দুই ঘণ্টার বেশি আলাপের তিনটি আলোচ্য বিষয়ের একটি ছিল তাইওয়ান। তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অংশ মনে করে বেইজিং। তাই প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটি নিজেদের শাসনাধীন করাই দেশটির ঘোষিত নীতি। এ কারণে তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তা বা রাজনীতিবিদের সফরের ঘোর বিরোধী চীন। যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করতে পারেন, সম্প্রতি এমন একটি খবরে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সির প্রশাসন।

দুই প্রেসিডেন্টের তাইওয়ান ইস্যুর আলোচনা নিয়ে জার্মান মার্শাল ফান্ডের বিশেষজ্ঞ বনি গ্লেজার রয়টার্সকে বলেন, বৃহস্পতিবার বাইডেন-সি তাইওয়ান নিয়ে যেসব কথা বলেছেন, তাতে নতুন কিছু নেই। এর আগের ফোনালাপেও তাঁরা দ্বীপটি নিয়ে প্রায় একই ধরনের আলোচনা করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চীনবিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ক্রেগ সিঙ্গেলটন বলেন, সম্প্রতি দুই দেশই অভ্যন্তরীণ নানা বিষয় নিয়ে চাপে আছে। উভয়ের অর্থনীতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তাইওয়ান নিয়ে কোনো দেশই বড় ধরনের সংঘর্ষে জড়াতে রাজি নয়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    গণতন্ত্র–অসমতা সূচকে পেছাচ্ছে বিশ্ব, ‘উন্নয়নশীল দেশের’ কাতারে যুক্তরাষ্ট্র

    আপন বলয়ে অগ্নিপরীক্ষায় রাশিয়া

    গুজরাট নির্বাচনে আম আদমি থাকছে কি

    ট্রাম্প হয়েই উঠছেন বলসোনারো?

    চীন-ভারত-রাশিয়াকে কাছে আনছে ইউক্রেন সংকট

    ইউক্রেন কি আসলেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে

    ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ লাইনে ছিদ্র, অভিযোগের আঙুল রাশিয়ার দিকে

    ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় টিএমএসএসের জন্য ১,২২৪ মিলিয়ন টাকা সংগ্রহ

    সাফজয়ী দলকে সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 

    বছরের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় বাংলাদেশের

    ঈশ্বরদী ইপিজেডে চীনা কোম্পানির ১২০ লাখ ডলার বিনিয়োগ

    চাঁদাবাজির অভিযোগের পর রমেকের ১৬ কর্মচারীকে বদলি