
হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন অবরোধের অর্থনৈতিক অভিঘাতের মুখে দাঁড়িয়ে ইরান যখন ভবিষ্যৎ হিসাব কষছে, তখন তাদের নজর ধীরে ধীরে উত্তর দিকে সরে যাচ্ছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌপথে বিঘ্ন আর তেল রপ্তানিতে বাধা তৈরি হওয়ায় তেহরান হয়তো উপসাগরের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রেলপথ

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ শুরুর প্রায় চার সপ্তাহ পার হতে চলেছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনা করছে। যদিও ইরান বলছে, এমন কোনো আলোচনা হচ্ছে না। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার সেনা জড়ো করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক’ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ্যে ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করে এটিকে তেলের দাম কমানো এবং বিশ্লেষকেরা এটিকে ‘সময়ক্ষেপণের’ উদ্দেশ্যে ছড়ানো ভুয়া খবর বলে অভিহিত করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছিলেন, তেহরান দুই দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধগুলোকে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছে। উদ্দেশ্য এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যার ফলে রাজধানী বোমায় বিধ্বস্ত হলেও সারা দেশ লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে।