কদিন আগেই বাংলাদেশের কাছে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচ তো হেরেছেই, প্রতিটি ম্যাচেই হারার আগে হার মেনেছে ক্যারিবীয়রা। সেই তারাই এবার ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে খেলল ভয়ডরহীন ক্রিকেট। রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে ৩ রানে হারলেও তাই খুশি উইন্ডিজ অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। ম্যাচ শেষে পুরান তো এমনও বলেছেন, এই হার তাঁর কাছে জয়ের মতোই।
পোর্ট অব স্পেনে টস জিতে আগে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন উইন্ডিজ অধিনায়ক পুরান। দুই ওপেনারের ভালো শুরুর পর ৭ উইকেটে ভারত তোলে ৩০৮ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীদের ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অবশ্য লড়াই করেও জিততে পারেনি তারা। স্বাগতিকেরা হেরেছে ৩ রানে।
হারলেও তাই দলের পারফরম্যান্সে খুশি পুরান। তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে একটা জয়ের মতোই। এটা অনেকটা তেতো মিষ্টি। আমরা ৫০ ওভার ব্যাটিং করার কথা বলেছিলাম। সবাই দেখেছে আমরা কী করতে পারি। আশা করি আমরা এখান থেকে নিজেদের শক্তি বাড়াতে পারব। সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোর দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছি।’
হারের পর সতীর্থদের প্রশংসা করেছেন পুরান। এই ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিকগুলো নিতে চান তিনি। পুরান বলেন, ‘এটি একটি ভালো ব্যাটিং উইকেট ছিল। আমাদের বোলাররা তাদের একটা নির্দিষ্ট রানে আটকে দিয়ে দারুণ কাজ করেছে। এভাবে হারাটা কঠিন, কিন্তু আমরা এটাকে মেনে নিয়েছি। আমাদের একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে। সবাইকে বলেছি, আমাদের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে, ইতিবাচক দিকে লক্ষ্য স্থির করা গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও একবার মাঠে নামবেন লিওনেল মেসি। এবার আর কোনো হিসাবনিকাশ নেই, সামনে নতুন কোনো টুর্নামেন্টও নেই। আছে শুধু বিদায়ের উপলক্ষ। বুয়েনস এইরেসে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ৫টায় বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবেন মেসি। যে জার্সি পরে প্রায় দুই দশক ধরে ফুটবল-জাদুতে সম্মোহিত করেছেন...
৪ ঘণ্টা আগে
আর মাত্র এক ম্যাচ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার নামবেন লিওনেল মেসি। এমন মুহূর্তের অপেক্ষায় বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। যে মনুমেন্তালে মেসি শেষবার নামবেন, সেই স্টেডিয়ামে ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে থাকবেন তাঁর সাবেক সতীর্থ আনহেল দি মারিয়াও। তবে নাহুয়েল মলিনা, পাওলো দিবালার এখানে থাকার কথা থাকলেও সেটা
৭ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতিতে পর্তুগালের আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্বটা এখন গনসালো রামোসের কাঁধেই। রামোসও সেটা দারুণভাবে করে যাচ্ছেন। গোলের পর বন্দুকের গুলির মতো উদযাপন করেন তিনি। ২৫ বছর বয়সী পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড এবার পোস্ট দিয়ে সেটা ডিলিটও করে দিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবলের ইতিহাসে একটি ছবি সময়ের ফ্রেমে চিরতরে বন্দি হয়ে আছে। ১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ের পর নার্স সু কার্পেন্টারের হাত ধরে হেঁটে যাচ্ছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। উদ্দেশ্য অ্যান্টি-ডোপিং পরীক্ষা। ম্যারাডোনার মুখে হাসি। আর্জেন্টিনা টানা দুই ম্যাচ জিতেছে, দু
৮ ঘণ্টা আগে