
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সাহাব উদ্দিন (৩০) ও ফাতেমাতুজ জোহরা স্মৃতি (১৭) নামে দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত দুজনই ওই গ্রামের দরজি বাড়ির বাসিন্দা।
মৃত সাহাব উদ্দিনের বাবা বাবুল মিয়া বলেন, ‘আজ সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের একটি বাগান থেকে আম গাছের সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় আমার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আমাদের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ নেই। ঠিক কী কারণে আমার ছেলে আত্মহত্যা করেছে তা আমরা নিশ্চিত নই। তাই কারও বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।’
মৃত স্মৃতির মা নাসরিন আক্তার বলেন, ‘প্রায় এক বছর হলো মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। আমার জামাতা প্রবাসে থাকায় মেয়ে আমাদের বাড়িতেই থাকত। আজ সকালে সাহাবের মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহ দেখতে যাই। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর নিজের মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পাই।’
নাসরিন আক্তার আরও বলেন, ‘আমার মেয়েকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায়। ঠিক কী কারণে স্মৃতি আত্মহত্যা করেছে তা আমরা এখনো জানি না। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই আমরা মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
মৃতদের বাবা-মা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, একই সময়ে দু’জনের আত্মহত্যার ঘটনাটি নিয়ে কেউ কেউ প্রেমঘটিত বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। বিভ্রান্তিকর প্রচার করায় আমরা কষ্ট পেয়েছি। এটি ঠিক নয়।
এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, উভয় পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে এবং কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য দুই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নদীতীরবর্তী এই এলাকায় বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষ নিম্ন আয়ের ও হতদরিদ্র। অনেক পরিবারের নিজস্ব টিউবওয়েল না থাকায় দৈনন্দিন কাজ, বিশেষ করে গোসলের জন্য নদীর পানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তাঁরা বলেন, নিরাপদ ও স্থায়ী কোনো ঘাট না থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের নদীতে নামতে গিয়ে প্রতিনিয়ত...
৩ মিনিট আগে
‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
৩২ মিনিট আগে
গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় সাত-আটজনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পদ্মা পেট্রোলিয়াম ডিপোর গোদনাইল শাখার কর্মকর্তা মঞ্জিল মোর্শেদের বাড়ির বারান্দার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতেরা ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের হাত-পা ও চোখমুখ বেঁধে ফেলে।
৩৮ মিনিট আগে
নিহতের ছেলে শাহীন আলম জানান, তাঁর বাবা ছাতির বাজার এলাকায় তাজউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস ও কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতেও খাওয়াদাওয়া শেষে ঘরের এক কোণে রাখা চৌকিতে ঘুমিয়ে পড়েন।
৪০ মিনিট আগে