ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় হাপুর জেলার ধাউলানা শিল্পাঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
শিল্পাঞ্চলটি রাজধানী দিল্লি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দুর্ঘটনার সময় কারখানার আশপাশে ৩০-এর বেশি ব্যক্তি ছিলেন। পিটিআই জানিয়েছে, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ামাত্র অগ্নি নির্বাপণকর্মীরা সেখানে ছুটে যান।
এদিকে বার্তা সংস্থা এনডিটিভি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে আশপাশের কয়েকটি কারখানার ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর অগ্নি নির্বাপণকর্মীরা আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছেন।
কারখানাটিকে ইলেকট্রনিক সামগ্রী তৈরির লাইসেন্স দেওয়া হলেও তারা পটকা তৈরি করত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তাঁরা আরও বলেছেন, কারখানাটির মালিকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। তবে পুলিশ তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
এ দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গভীর শোক করেছেন। যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘সুষ্ঠু তদন্ত করে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।’ একই সঙ্গে তিনি নিহত ও আহতদের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
হাপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেধা রূপম বলেছেন, ‘কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। ফরেনসিক দল ইতিমধ্যে সেখানে পৌঁছেছে এবং নমুনা সংগ্রহ করেছে। আমরা এখন আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাফদরজং হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তদন্তে যদি কারখানা মালিকের অবহেলা প্রমাণিত হয়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মেধা রূপম বলেন, ‘কারখানাটি একটি সিএনজি পাম্পের পাশে অবস্থিত। বিস্ফোরণের সূত্রপাত সেখান থেকে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টা আগেও মৃতের সংখ্যা ৩৫৯ বলে জানানো হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
বসনিয়ার সার্ব বাহিনীর সাবেক কমান্ডার এবং ‘বসনিয়ার কসাই’ নামে পরিচিত যুদ্ধাপরাধী র্যাটকো ম্লাদিচ ৮৪ বছর বয়সে মারা গেছেন। ১৯৯০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে পড়ার সময় বসনিয়ায় সংঘটিত জাতিগত নিধন, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী ছিলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে নতুন কোনো দেশ যোগ দিতে চাইলে জোটের অন্য অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।
৫ ঘণ্টা আগে
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমান তীব্র টার্বুলেন্সের কবলে পড়ে পাঁচ সেকেন্ডের কম সময়ে প্রায় ১৭৮ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ব্রিটিশ যাত্রী জিওফ কিচেন। তাঁর স্ত্রী প্রথমবারের মতো সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। একই ঘটনায় আহত কয়েকজন ব্রিটিশ যাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে