মাঠ কিংবা মাঠের বাইরে সময়টা ভালো যাচ্ছে না হ্যারি ম্যাগুয়ারের। ছন্দ হারিয়ে ফেলায় সমর্থকদের রোষানলে পড়েন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ। পরিবারের ওপর বোমা হামলার হুমকিও পান বেশ কয়েকবার।
হুমকির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও এত দিন চুপ ছিলেন ম্যাগুয়ার। অবশেষে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন ২৯ বছর বয়সী ইংলিশ ডিফেন্ডার। বলেছেন, ‘সমর্থকদের সমালোচনা সহ্য করার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য আমার আছে। কিন্তু পরিবারের ওপর বোমা হামলার হুমকি এলে সহ্য করা যায় না। এটা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। তবে আমি খুশি যে, আমার সন্তানেরা এখন ছোট বলে এসব বুঝতে পারছে না। ওরা একটু বড় হলে ফল খারাপ হতে পারত।’
লেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জেতা ম্যাগুয়ার ২০১৯ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ডিফেন্ডার হিসেবে যোগ দেন ম্যানইউতে। রেড ডেভিলদের ডেরায় আসার পর ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি এতটা বাজে সময়ের সম্মুখীন হবেন। নিজের ছন্দহীনতা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি, ‘সর্বশেষ মৌসুমটা অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বাজে ছিল। এটা লুকোতে চাই না। আপনি যদি শীর্ষ লিগে নিয়মিত খেলতে চান, তাহলে উত্থান-পতনের মধ্যে যেতে হবে। তবে আমি প্রতিনিয়ত উন্নতি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৩২ মিনিট আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
২ ঘণ্টা আগে