বাংলাদেশকে যে কতবার খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেছেন মুশফিকুর রহিম, তার ইয়ত্তা নেই। দলকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করতেও মুশফিকের জুড়ি মেলা ভার। সে কারণেই তাঁর নামটাই হয়ে গেছে ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
ভরসার প্রতীক মুশফিক গতকালই লিটন দাসকে নিয়ে মহাকাব্যিক জুটি গড়ে রেকর্ড বইয়ে ঝড় তুলেছেন। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সাদা পোশাকে পূরণ করেছেন ৫ হাজার রান। আজ আরও দুটি মাইলফলক স্পর্শ করে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।
মুশফিকের ভেলায় চড়ে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৬৫ রানে। ৩৫ বছর বয়সী তারকা অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রানে। ম্যারাথন ইনিংসটি খেলার পথে একটি জায়গায় ছাড়িয়ে গেছেন বন্ধুপ্রতিম সতীর্থ তামিম ইকবালকে।
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক রান মুশফিকের। তাঁর সংগ্রহ ৭০৭০। তামিম এখন পর্যন্ত করেছেন ৭০৬৩।
১১৫ রানে অপরাজিত থেকে গতকাল ‘রাত্রিযাপন’ করেছেন মুশফিক। তামিমকে টপকে যেতে হলে আজ করতে হতো আরও ৫৪। দেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ কিপার-ব্যাটার করেছেন প্রয়োজনের চেয়ে ৬ রান বেশি। এই মাইলফলক গড়তে তামিমের চেয়ে ২৮ বার বেশি ব্যাটিংয়ে নামতে হয়েছে তাঁকে। মুশফিক-তামিমের পরের দুটি স্থান সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের।
বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা-সম্পর্কিত সবশেষ সংবাদ পেতে - এখানে ক্লিক করুন
মুশফিক আরেকটি জায়গায় নিজেকেই ছাড়িয়ে গেছেন। সঙ্গে রেকর্ডও গড়েছেন। টেস্টে ঘরের মাঠে বাংলাদেশিদের মধ্যে আগে থেকেই সবচেয়ে বেশি রানের মালিক ছিলেন। এবার প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ছুঁয়েছেন ৩ হাজার রানের মাইলফলক। ৮৩ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ৩০২২ রান। এখানেও তাঁর পেছনে তামিম। মুশফিকের চেয়ে ৯ ইনিংস কম খেলে ২৬৯ রান কম করেছেন দেশসেরা ওপেনার।
মুশফিকুর রহিম সম্পর্কিত পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২২ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে