সামাজিকতার জন্য বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হয়। তা জন্মদিন বা বিয়ের অনুষ্ঠানই হোক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। আর এসব উৎসবে জম্পেশ খাওয়াদাওয়া হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু এসব অনুষ্ঠানে একজন ডায়াবেটিসের রোগীর ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে একটু খেয়াল না রাখলে তাঁর কী অবস্থা হবে ভাবতে পারেন? এ ধরনের অনুষ্ঠানে থাকতে হবে সতর্ক, যাতে আনন্দ করতে গিয়ে ডায়াবেটিসের রোগীরা সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে না ফেলেন। উৎসবে খাওয়াদাওয়া হবে কিন্তু বেশি খাবার এড়িয়ে পরিমিত খাবারের কথা মনে রাখতে হবে।
যেসব বিষয় মনে রাখবেন
- পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ক্যালরির খাবার খেতে হবে।
- খাওয়ার সময় শাকসবজি, ফলমূল, মাছ ইত্যাদি বেছে নিতে হবে।
- অতিরিক্ত মসলাদার, ভাজাপোড়া, ফাস্ট ফুড, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে।
- কোমল পানীয় বাদ দিয়ে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
- অনুষ্ঠানের সময় অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশিবার গ্লুকোমিটারে রক্তের সুগারের পরিমাণ চেক করতে হবে।
- অনুষ্ঠানের দিনগুলোয় নিয়ম করে ব্যায়াম ও হাঁটাহাঁটির অভ্যাস ধরে রাখতে হবে।
যেকোনো অনুষ্ঠান শেষে প্রত্যেক ডায়াবেটিসের রোগীর উচিত দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে অনুষ্ঠান-পরবর্তী চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ নেওয়া। তাঁদের জানা থাকা দরকার, ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা সময়ের সঙ্গে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। যেকোনো অনুষ্ঠানের পর সেটা স্বাভাবিকভাবে দ্রুত বাড়তে পারে। ফলে চিকিৎসক রোগীর খাদ্যতালিকা, ব্যায়াম ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র পুনর্বিন্য়াস করবেন।
ডায়াবেটিস সম্পর্কিত পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
লেখক: সহকারী অধ্যাপক, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিভাগ, মার্কস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।










