অনেকে দুধ বা দুধজাতীয় খাবার সহ্য করতে পারেন না। সেসব খাবার খেলে তাঁদের তলপেটে ব্যথা, গ্যাসের সমস্যা, অস্বস্তি লাগা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া এবং ডায়রিয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এই সমস্যাগুলো হলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বলা হয়। এর মূল কথা হলো, দুধে থাকা উপাদান ল্যাকটোজ কারও কারও হজমে সমস্যা করে।
রোগ নির্ণয়
যে টেস্ট বা পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে এ রোগ শনাক্ত করা যায়—
যেসব খাবারে সমস্যা
আমাদের হাড় আর দাঁতের গঠন
ঠিক রাখতে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। তাই দুধজাতীয় খাবার না খেলে এ পুষ্টি উপাদানগুলোর ঘাটতি দেখা দেবে। ঘাটতি যাতে না হয় সে জন্য কিছু বিকল্প খাবার খাওয়া
যেতে পারে।
গরুর দুধের বিকল্প
গরুর দুধ বা দুধে বানানো খাবার খেতে যাঁদের সমস্যা হবে, তাঁরা এই বিকল্প দুধগুলো খেতে পারেন। খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে
এই খাবারগুলো ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ। এসব খাবার পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে। এ ছাড়া বাজারে আজকাল ল্যাকটোজমুক্ত দুধ কিনতে পাওয়া যায়। সম্ভব হলে সেগুলো খেতে পারেন।
লেখক: ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ, ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হসপিটাল

চলমান হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপের পাশাপাশি দেশের হাসপাতালগুলোতে রয়েছে মৌসুমি জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাসতন্ত্র সংক্রমণের রোগীর চাপ। চলতি বছর দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে শুধু এই তিন ধরনের রোগ নিয়ে ভর্তি হয়েছে পৌনে ৭ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ—এ দুটি রোগে পুরুষের সংখ্যা বেশি।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন চট্টগ্রামে এবং একজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২৮ জনে।
১২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৮৮ হাজার ৩৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২ হাজার ৩৩৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ হাজার ৭৫৪ জন।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন ঢাকায় ও একজন রংপুরে চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২৫ জনে।
২ দিন আগে