ইয়েমেনে ২০১৫ সালে যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
জাতিসংঘ বলছে, ২০২০ সালে হুতিদের নিয়োগ দেওয়া প্রায় দেড় হাজার ‘শিশুযোদ্ধা’ নিহত হয়েছে। পরের বছর নিহত হয়েছে আরও শত শত শিশুযোদ্ধা।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্রোহীরা এখনো শিশুদের যুদ্ধের কাজে নিয়োগ দিচ্ছে। মতাদর্শ প্রচার করতে তারা বিভিন্ন ক্যাম্প ও মসজিদ ব্যবহার করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে সৌদি নেতৃত্বাধীন সেনাদের বিমান হামলায় এখনো বহু বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছে।
৩০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেল বলছে, হুতি বিদ্রোহীদের নিয়োগ দেওয়া ১ হাজার ৪০৬ শিশু ২০২০ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৫৬২ শিশু।
যুদ্ধক্ষেত্রে অংশ নেওয়া শিশুদের বিভিন্ন স্লোগান শিক্ষা দিয়ে থাকে হুতিরা। ‘আমেরিকা নিপাত যাক’, ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’, ‘ইহুদিদের অভিসম্পাত’, ‘ইসলামের জয় হোক’ এসব স্লোগান দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একটি ক্যাম্পে সাত বছরের এক শিশুকে অস্ত্র পরিষ্কার করতে ও রকেট এড়িয়ে চলা শেখাতে দেখা যায়।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
৩০ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৩ ঘণ্টা আগে