ইয়েমেনের মারিব শহরে সৌদি জোটের হামলায় ২৬০ জনের বেশি হুথি বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি জোটের বরাত দিয়ে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, গত ৭২ ঘণ্টার অভিযানে মারিবের ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণের আল-জাওবা এবং আল-কাসসারার ৩০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে হামলায় বিদ্রোহীদের ৩৬টি সামরিক যানবাহন ধ্বংস এবং ২৬৪ জনের বেশি হুথি সদস্য নিহত হয়েছেন।
তবে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী সৌদি জোটের হামলায় হতাহতের বিষয়ে তেমন কোনো মন্তব্য করেনি। ফলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিনই ইয়েমেনের মারিবে হামলা চালাচ্ছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। গত সপ্তাহে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, মারিবের দক্ষিণে ১৬০ হুথি বিদ্রোহীকে হত্যা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। হুথিরা রাজধানী সানা দখলে নেয়। হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালের শুরুর দিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদিকে ফেরাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

বকেয়া নেভিগেশন চার্জ পরিশোধ না করায় ভারতীয় বাজেট এয়ারলাইন স্পাইসজেটের ওপর আকাশসীমা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে বিমান সংস্থাটি।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ডে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে কৌশলগত যুদ্ধবিমান দিয়ে ইরানে আঘাত হানার পরিকল্পনা রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই পরিকল্পনায় বাঁধ সেধেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের আগের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ইরান আবার গড়ে তুলছে এবং একই সঙ্গে ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’ নিচ্ছে। এমনটি দাবি করেছেন ইরানের এক প্রভাবশালী বিরোধী নেতা। যদিও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ গতকাল বুধবার পাইলটদের জন্য এক অস্বাভাবিক সরকারি নোটিশ (নোটিশ ফর এয়ারম্যান বা নোটাম) জারি করে। সেখানে দেশের আকাশসীমার বড় অংশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মূলত, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ মহড়া পরিচালনার জন্য এই আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে