
সিটি ও সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ইভ্যালিকে ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা তোলার অনুমতি দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইভ্যালির নামে থাকা ২২টি গাড়ি ভাড়া বা বিক্রি করে দেওয়ারও অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে ইভ্যালির সম্পদসহ যাবতীয় তথ্য দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে ইভ্যালির বোর্ডের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোরশেদ আহমেদ খান। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন। মাহসিব হোসাইন বলেন, ‘ইভ্যালির প্রধান কার্যালয়ে প্রতিদিন গ্রাহকেরা ভিড় করছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ইভ্যালির সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডি কোথায় কীভাবে টাকা ব্যয় করেছেন, তার তালিকা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরকে বলা হয়েছে।’
গত বছরের ১৮ অক্টোবর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি পরিচালনায় আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে দেন হাইকোর্ট। বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল আহসান, তৎকালীন ওএসডিতে থাকা (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।
আরও পড়ুন:

দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পল্লি অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে গতকাল (১৬ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি।
৮ মিনিট আগে
ভারতে কিউআর কোড স্ক্যান করে কয়েক মুহূর্তে টাকা পাঠানো এখন প্রায় সবার দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কোনো পয়েন্ট অব সেল (পস) যন্ত্র বা নগদ টাকার ঝামেলা নেই, আর সবচেয়ে বড় কথা—গ্রাহক বা বিক্রেতা কারও জন্যই কোনো দৃশ্যমান সার্ভিস চার্জ ছিল না।
১ ঘণ্টা আগে
এক দশক আগেও যে অর্থনীতির বড় অংশের হিসাব করা হতো কারখানা, দোকান, কৃষি ও প্রচলিত সেবার মাধ্যমে, এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। স্মার্টফোনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি, অ্যাপভিত্তিক যাতায়াত, মোবাইল ফোনে আর্থিক লেনদেন, অনলাইনে কাজ করে আয় কিংবা ফুটপাতে ছোট ব্যবসা—সবই এখন মানুষের আয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ
১১ ঘণ্টা আগে
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ লঙ্ঘনের দায়ে গত এক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সাতটি মামলা করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে