Alexa
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

জুম–নেটফ্লিক্সের দুনিয়ায় মেটাভার্সের চমক

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:২৬

জুম–নেটফ্লিক্সের দুনিয়ায় মেটাভার্সের চমক করোনা মহামারির প্রভাবে বদলে গেছে প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন। ২০২০ সালে অনলাইনে কেনাকাটার হার বেড়েছিল ব্যাপকভাবে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স, অনলাইন কোর্স, ভিডিও কনফারেন্সের অ্যাপ জুমের দাপট দেখেছে বিশ্ব। ২০২১ সালেও সেই ধারা অব্যাহত ছিল। নতুন বছরে পা ফেলার আগে চলতি বছর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাওয়া কিছু প্রযুক্তিপণ্য সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 

ছবি: রয়টার্স জুম
আমেরিকান ভিডিও কমিউনিকেশন কোম্পানি জুম যত দ্রুত উত্থান দেখেছে, তার তুলনা হয়তো চলে শুধু রকেটের সঙ্গেই! ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত জুম (অ্যাপটি চালু হয় ২০১৩ সালে) ছিল অচেনা এক সফটওয়্যার কোম্পানি। করোনা মহামারিতে আচমকা সব অফিস-আদালত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জুমের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে অস্বাভাবিক গতিতে। সহজ ইউজার ইন্টারফেসই ছিল এর মূল কারণ। গত বছরের এপ্রিলে জুম জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৩০ কোটি মানুষ তাদের সফটওয়্যার ব্যবহার করে সভা করেছে।

২০২০ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে জুমের আয় ছিল ৭০ কোটি ডলার। এ বছর একই প্রান্তিকে তাদের আয় ৮২ কোটি ডলার। তবে আয় বাড়লেও কমেছে শেয়ারের মূল্য। গত বছর নভেম্বরে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ছিল ৫০০ ডলার। কমতে কমতে তা এখন দাঁড়িয়েছে ১৮২ ডলারে। তবু জুমের বার্ষিক মিটিং মিনিট দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়নে। শেয়ারবাজারের কল্যাণে কোম্পানিটির মূলধন এখন ৭৫ বিলিয়ন ডলার। আগামী বছর অনেক প্রতিষ্ঠানই হয়তো হোম অফিসের বদলে কর্মীদের অফিসে এনে ফেলবে। তখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও শেয়ারমূল্য দুটোই আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ছবি: রয়টার্স অনলাইনে ব্যবসা 
দিন দিন অনলাইনে আমাদের সময় দেওয়ার মাত্রা বেড়েই চলছে। এই পরিবর্তনের ভালো-খারাপ সব দিকই আছে। অনলাইনে সময় কাটানোর প্রবণতাকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই নতুন আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন। অনলাইন থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেইনারদের আয়ও বেড়েছে। দক্ষ ট্রেইনাররা তাদের কোর্সে বিদেশি শিক্ষার্থীও পাচ্ছেন। টেকেবল, ইউডেমি, স্কিলশেয়ার ও কোর্সেরার ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে উঠছে। টেকেবল থেকে ৪০ হাজার ট্রেইনার আয় করেছেন ১ বিলিয়ন ডলার। কোর্সেরার মূলধন এখন ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। প্ল্যাটফর্মটিতে ৩ হাজারের বেশি কোর্স আছে। শেয়ার মার্কেটের কল্যাণে ইউডেমির মূলধন এখন সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া সামনের দিনে ই-কমার্স ব্যবসার বাজারও আরও ফুলে-ফেঁপে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২২ সালে ই-কমার্স ব্যবসা থেকে আয় হবে ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ব্যবসা বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা সক্রিয় থাকবেন, তাঁদের বিক্রি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ বেশি।

প্রযুক্তিবিদদের অনুমান, ক্রেতাদের আচরণ ও কেনাকাটার তথ্য বিশ্লেষণে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়বে আগামী দিনে। দাম ঠিক করা ও পণ্য দেখানোর ক্ষেত্রে বিক্রেতারা এআইয়ের সহায়তা পাবে। অন্যদিকে ক্রেতারা নিজস্ব চাহিদা আরও সহজে বোঝাতে পারবেন বিক্রেতাদের। পূর্বাভাস আছে, ২০২২ সালে মোবাইলের মাধ্যমে ৫০ শতাংশের বেশি অনলাইন কেনাকাটা হবে। ভিআর ও এআর প্রযুক্তির সাহায্যে যেকোনো পণ্য ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল থেকে দেখা যাবে। ফলে পণ্যটি কাজে লাগবে কি না, তা সহজেই বোঝা যাবে। আর ২০২৫ সাল নাগাদ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তির হার্ডওয়্যারের বাজার হবে ১০৫ বিলিয়ন ডলারের। 

ছবি: রয়টার্স নেটফ্লিক্স
২৪ বছর আগে যাত্রা শুরু করেছিল নেটফ্লিক্স। প্রথম দিকে তারা ডিভিডি ভাড়া দিত। ২০১৩ সালে নেটফ্লিক্স কনটেন্ট বানানোর ব্যবসায় নামে। তাদের প্রথম অরিজিনাল সিরিজ হলো আমেরিকান পলিটিক্যাল ড্রামা ‘হাউস অব কার্ডস’।

আমেরিকান এই সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভিসটি বর্তমানে ১৯০টি দেশে দেখা যায়। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত নেটফ্লিক্সের গ্রাহকসংখ্যা ছিল ২১ কোটি ৪০ লাখ।

মহামারিকালীন লকডাউনের প্রভাবে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ কোটি ৪০ লাখ নতুন গ্রাহক জুটেছিল নেটফ্লিক্সের। গ্রাহক বাড়ার এই হার কমার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে নতুন সাবস্ক্রাইবার যুক্ত হয় আরও ৪৪ লাখ।

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স স্মার্টফোনের জন্য গেমস নিয়ে আসে এ বছরের নভেম্বরে। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস: ১৯৮৪ ’, ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস ৩: দ্য গেম’, কার্ড ব্লাস্ট, টিটার আপ, শুটিং হোপসসহ ৫টি গেম এনেছে তারা। নেটফ্লিক্স গ্রাহকেরা বিজ্ঞাপন ছাড়াই গেমগুলো খেলতে পারবে।

ডলারের বিপরীতে অনেক দেশের মুদ্রার মান কম হওয়ায় মার্কিনরাই এখন পর্যন্ত নেটফ্লিক্সের সবচেয়ে বিশ্বস্ত গ্রাহক। নেটফ্লিক্সে মার্কিন গ্রাহকের সংখ্যা বর্তমানে ৭ কোটি ৪০ লাখ। সে তুলনায় ভারতীয় গ্রাহকের সংখ্যা ৪৪ লাখ। অবশ্য এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রাহক ধরতে নিত্যনতুন বাণিজ্যিক কৌশল নিচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি। ভারতের বাজার দখলে নিতে সাবস্ক্রিপশন ফি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে নেটফ্লিক্স।

এ বছর নেটফ্লিক্সের অরিজিনাল কনটেন্টের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সিরিজ ‘স্কুইড গেম’। প্রথম ৪ সপ্তাহে সিরিজটি দেখেন ১৪ কোটি ২০ লাখ গ্রাহক। সিরিজটি বানাতে খরচ হয় ১৬৮ কোটি টাকা। আর মুনাফা হয় ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। 

ছবি: রয়টার্স মেটাভার্স
মার্কিন সায়েন্সফিকশন লেখক নিল স্টিফেনসনের একটি উপন্যাসে প্রথমবার মেটাভার্সের কথা লেখা হয়েছিল। ১৯৯২ সালে কল্পিত সেই জগতের দরজা খুলেছিল ‘স্নো ক্র্যাশ’ নামের বইয়ের মাধ্যমে। ৩০ বছর পর এসে মানুষের থ্রিডি অবতারের ধারণা বাস্তব রূপ লাভ করছে। আর সেই সুযোগ আনার ঘোষণা দিয়ে এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় তুলেছেন মার্ক জাকারবার্গ।

বলা হচ্ছে, মেটাভার্সে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভিডিওর মাধ্যমে ডিজিটাল জীবনযাপন করা যাবে। কেনাকাটা, অফিসের কাজ, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও খেলাধুলা করা যাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বিশ্বের অপর প্রান্তে চলতে থাকা যেকোনো সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দেওয়া যাবে। অর্থাৎ সশরীরে উপস্থিত থাকার প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে।

মেটাভার্স প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রধান শর্ত হলো দ্রুতগতির ইন্টারনেট। মেটার (ফেসবুক) সব ব্যবহারকারীর হাতে দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট পৌঁছালে এই প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গ রূপ সম্পর্কে ধারণা মিলবে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা। মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য মেটাভার্সের মূল বিষয়গুলোর উন্নয়ন ঘটাতে আরও ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে।

মেটাভার্স প্রযুক্তি নিয়ে শুধু ফেসবুক নয়, সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানি মাইক্রোসফট, ভিডিও গেম নির্মাতা কোম্পানি এপিক গেমস ও অনলাইন গেইম প্ল্যাটফর্ম রোবোলক্স’ও কাজ করছে।

মাইক্রোসফটের প্রযুক্তির নাম হবে ম্যাশ। তাদের নিজস্ব হলোলেন্স (মিক্সড রিয়েলিটি স্মার্টগ্লাস) ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটিতে নিয়ে যাবে। হেডসেট ছাড়াও সাধারণ টু-ডি মনিটর দিয়ে ভার্চুয়াল কর্মক্ষেত্রে সভা করা যাবে। ক্লাউডভিত্তিক ডাইনামিক ৩৬৫ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ড বিভাগ ও মহাকাশে থাকা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনেও ভার্চুয়ালি যাওয়া যাবে।

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তাদের অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে করপোরেট অফিসের কর্মীরা নিজেদের ডিজিটাল অবতার তৈরি করতে পারবেন। অফিসের জন্য তৈরি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল যেমন স্প্রেডশিট আদান-প্রদান করা যাবে। এই প্রযুক্তির প্রাথমিক রূপ কেমন হবে, তা আগামী বছরের শেষ ভাগে জানা যাবে।

এদিকে ফোর্টনাইট গেম নির্মাতা কোম্পানি এপিক গেমস ইনকরপোরেশনও মেটাভার্স প্রযুক্তির দখল নিতে মরিয়া। কোম্পানিটির সিইও টিম সুইনি জানিয়েছেন, আগামী দশকে মেটাভার্স প্রযুক্তির বাজারমূল্য হবে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরিতে এপিক, রোবোলক্স, মাইক্রোসফট ও ফেসবুকের জন্য আগামী তিন বছর খুব গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক শ কোটি ব্যবহারকারীকে সবাই নিজেদের ছাতার তলে আনতে চাইবে। প্রথম যারা কাজটি করতে পারবে তাদের হাতেই মান নির্ধারণের ভার চলে যাবে। পরিসংখ্যানগত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে ৫০ কোটি ভিআর সেট বিক্রি হতে পারে। 

মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রাম মেসেজিং অ্যাপের বাজার
এককালে মেসেজিং অ্যাপে শুধু টেক্সট পাঠানো যেত। এখন ভয়েস মেসেজ পাঠানো যায়, চলে ভিডিও চ্যাট। এ ছাড়া গ্রুপ চ্যাটের সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। সারা বিশ্বে ২৭৭ কোটি মানুষ বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করছেন। আর ২০২২ সালে এসব অ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৩০০ কোটিতে।

মেসেজিং অ্যাপ ওয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারী সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। তাদের অ্যাপ ব্যবহার করেন বিশ্বের ২০০ কোটি মানুষ। এর মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যা ৩৯ কোটি। ২০০৯ সালে চালু হওয়া অ্যাপটি এখন পর্যন্ত ৫০০ কোটি বার ডাউনলোড হয়েছে। বিশ্বের ১০০টি দেশে হোয়াটসঅ্যাপ সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপ কোনো বিজ্ঞাপন দেখায় না। তাদের মূল আয়ের উৎস হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস, বিভিন্ন কোম্পানিগুলো এর মূল গ্রাহক। বহুল ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপের মেসেজ এনক্রিপ্টেড থাকে। ফলে নিরাপদ থাকতে হোয়াটসঅ্যাপে ভরসা রাখেন অনেকে।

ফেসবুক মেসেঞ্জারের ব্যবহারকারী সংখ্যা এখন প্রায় ১৩০ কোটি। তবে ফেসবুক মেসেঞ্জার বা ইনস্টাগ্রামের ডাইরেক্ট মেসেজে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা নেই। ২০২২ সালে এই সুবিধা যুক্ত করার কথা দিয়েছিল ফেসবুক। কিন্তু তারা জানিয়েছে, ২০২৩ সালের আগে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না অ্যাপ দুটিতে।

ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে চীনের মেসেজিং অ্যাপ উইচ্যাট আছে তৃতীয় অবস্থানে। তাদের ব্যবহারকারী সংখ্যা ১২৫ কোটি। 

পরিশেষে
প্রযুক্তি বিশ্ব খুব দ্রুত বদলায়। কোনো কিছুই দীর্ঘদিন টেকে না। গুটিকয়েক প্রযুক্তি কোম্পানি বাজার নিয়ন্ত্রণ করলেও প্রতিনিয়ত পণ্য ও সেবায় তারা নতুনত্ব এনে চলেছে। আগামী বছরেও নতুন অনেক পণ্য দেখা যাবে। সেবায়ও আসবে পরিবর্তন। বিশ্লেষকদের মতে, মানুষ কী ভাবছে তা নির্ভুলভাবে অনুমান করতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তির দাপট বাড়বে সামনের দিনগুলোতে। হয়তো এই পথ ধরেই প্রযুক্তি দুনিয়ায় আসবে নয়া বিপ্লব!

তথ্যসূত্র: ব্যাকলিংকো ডটকম, রয়টার্স, আইজিএন ডটকম, বিজনেস অব অ্যাপস, স্ট্যাটিস্টা ডটকম ও উইডেভস ডটকম

সালতামামির অন্যান্য আয়োজন: 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ভূমিকম্প-সুনামি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হতে পারে সাবমেরিন কেব্‌ল 

    টুইটার ছাড়ছেন আরও ৩ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা 

    অত দাম নয় টুইটারের, কিনতে কঠিন শর্ত দিলেন মাস্ক

    মানুষের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে মেটাভার্স

    টুইটার ছাড়লেন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

    সবচেয়ে দামি কোম্পানির খেতাব হারাল অ্যাপল, শীর্ষে আরামকো 

    শ্রীপুরে ট্রেনের ধাক্কায় এক অজ্ঞাত নারী মৃত্যু

    মুশফিকের ভেলায় ৪০০-এর স্বপ্ন বাংলাদেশের

    বেকারি পণ্যের মূল্য দ্বিগুণ

    জনগণ বারবার বিএপিকে টেনে–হিঁচড়ে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, বললেন কাদের

    টিভিতে আজকের খেলা (২৪ মে ২০২২, মঙ্গলবার)

    আগৈলঝাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত