
চট্টগ্রাম জেলার ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা। স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রামের চার-পাঁচজন মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন বলে আশা করেছিলেন এলাকার মানুষ; কিন্তু তা হয়নি। চট্টগ্রাম থেকে এবার মাত্র দুজনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ চট্টগ্রাম একেবারেই গুরুত্ব পায়নি মন্ত্রিসভায়। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে এর আগের মন্ত্রিসভাগুলোতে কর্নেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও ওয়াশিকা আয়েশা খান দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালের পরের সব সরকারেই মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী করার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম গুরুত্ব পেয়েছে। চট্টগ্রাম সবচেয়ে প্রাধান্য পায় ২০০১ সালের মন্ত্রিসভায়। ওই সময় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে আটজনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়।
এবার সরকারে চট্টগ্রাম তেমন গুরুত্ব না পাওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও জনমনে ক্ষোভ রয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, ‘দেশে চট্টগ্রাম সবদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে হলে চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার বিকল্প নেই। এবারের মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের আরও প্রতিনিধিত্ব থাকা দরকার ছিল।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান বলেন, ‘শুরুর দিকে মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্ব কম থাকলেও পরে আরও বাড়বে বলে বিশ্বাস করি। এ বিষয়ে আমরা বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখতে চাই।’
২০২৪, ২০১৮ ও ২০০৮ সালের মন্ত্রিসভার প্রতিটিতে চট্টগ্রাম থেকে চারজন স্থান পান। ২০১৪ সালে দশম সংসদের পর গঠিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে তিনজন দায়িত্ব পান। তিনজনকেই পূর্ণমন্ত্রী করা হয়।
২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে স্থান পেয়েছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (পূর্ণমন্ত্রী), এম মোরশেদ খান (পূর্ণমন্ত্রী), মন্ত্রীর পদমর্যাদার প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল নোমান (পূর্ণমন্ত্রী), এল কে সিদ্দিকী (পূর্ণমন্ত্রী), মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন (প্রতিমন্ত্রী), মীর জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (প্রতিমন্ত্রী) ও হুইপ ওয়াহিদুল আলম (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা)।
১৯৯৬ সালের অষ্টম সংসদের মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে যাঁরা দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা হলেন এম এ মান্নান (পূর্ণমন্ত্রী) ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (পূর্ণমন্ত্রী)।
১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসে। খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর মন্ত্রিসভায় স্থান পান চট্টগ্রামের তিনজন। তাঁরা হলেন যোগাযোগমন্ত্রী অলি আহমদ (বর্তমান এলডিপিন চেয়ারম্যান), পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমান, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ এম জহিরুদ্দিন খান (পদত্যাগ)।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সাবেক সহসভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে চট্টগ্রামের সন্তান আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আসায় চট্টগ্রামবাসী সন্তুষ্ট। তবে মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকা খুবই জরুরি ছিল। আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে রইলাম।’

বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর খুলনার কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা হতাশ। তাঁরা বলছেন, বিভাগীয় শহর ও বন্দরনগরী হিসেবে খুলনাকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা উচিত ছিল।
১ ঘণ্টা আগে
নির্ধারিত সময়ের এক দিন পর অর্থাৎ ২১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু হতে পারে। এমন তথ্য জানিয়েছে বইমেলা স্ট্যান্ডিং কমিটির সূত্র। সাধারণত সরকারপ্রধান বইমেলা উদ্বোধন করে থাকেন। সময়সূচি সমন্বয়ের কারণেই এক দিন পিছিয়ে মেলা শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় এবার জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে বিএনপি। এসব মামলায় ২৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ হাজারের অধিক আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ দুটি ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে দাখিল করা হলে
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আফরোজা বেগম ও তাঁর গৃহকর্মী দিতি হত্যা মামলায় আরেক গৃহকর্মী সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তার এ রায় দেন।
৮ ঘণ্টা আগে