প্রথমবারের মতো স্মার্টফোন গেম আনল মার্কিন বিনোদনধর্মী প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স। গতকাল মঙ্গলবার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে নেটফ্লিক্স তাদের অ্যাপ আপডেট শুরু করেছে। সেখান থেকেই গেমটি ডাউনলোড করা যাবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে নেটফ্লিক্স গ্রাহকদের জন্য পাঁচটি মোবাইল গেম অন্তর্ভুক্ত করেছে।
নেটফ্লিস্ক বলছে, তাদের গেমগুলোতে কোনো বিজ্ঞাপন থাকবে না এবং অন্যান্য মোবাইল গেমের মতো গেমের জন্য কেনাকাটাও করতে হবে না।
নেটফ্লিক্সের পাঁচটি স্মার্টফোন গেমের সঙ্গে দুটি জনপ্রিয় স্ট্রেঞ্জার থিংস সিরিজের গেমের সঙ্গে সম্পর্কিত। গেমগুলো হলো:
স্ট্রেঞ্জার থিংস: ১৯৮৪
স্ট্রেঞ্জার থিংস ৩: দ্য গেম
কার্ড ব্লাস্ট
টিটার আপ
শ্যুটিং হুপস
নেটফ্লিক্সের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, `যদিও এটি দীর্ঘ যাত্রার সূচনামাত্র। আমরা একটি গেমিং অভিজ্ঞতা প্রদান করতে আগ্রহী, যা এই সময়ে পাওয়া গেম থেকে আলাদা। এই গেম কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই চলবে। এর মধ্যে কোনো কিছু কিনতে হবে না। নেটফ্লিক্স সদস্যপদ দিয়ে এই গেম খেলা যাবে।'
নেটফ্লিক্সের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে শুধু অ্যান্ড্রয়েড ও ট্যাবলেটের জন্য গেমগুলো আনা হয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে এগুলো অ্যাপলের আইওএস ডিভাইসেও পাওয়া যাবে। এর আগে অ্যাপল অন্যান্য কোম্পানিকে তাঁদের স্টোর ব্যবহার করতে দিত না। বিশেষ করে গেমিং অ্যাপগুলো জন্য।

কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
৬ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
১০ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভোর চারটায় অ্যালার্ম। কানের তালা ফাটানো সেই শব্দে ঘুম ভাঙল আপনার। তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে দৌড়াতে হলো পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখতে। এরপর লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে বিখ্যাত সেই ল্যান্ডমার্কের সামনে একটা ছবি তোলা। সবই দেখতে ঠিক হুবহু ইন্টারনেটে দেখা বাকি হাজারটা ছবির মতোই।
১৪ ঘণ্টা আগে