ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন

প্রশ্ন: আমরা দুই বোন, এক ভাই। বাবার দ্বিতীয় সংসারের সন্তান। বাবার আগের ঘরে দুই ছেলে রয়েছে। আমাদের দুই পরিবার আলাদা বসবাস করে। আগের ঘরের বড় ছেলের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ছিল। বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি আমাদের খোঁজখবর নিতেন। বর্তমানে আমার ভাইয়ের দেশের বাইরে যাওয়ার কথা। তাই কিছু আর্থিক সাহায্যের কথা তাঁদের জানাই। সবাই মিলে বসার পর, চাচারা আমাদের সম্পত্তির ভাগ দিতে নিষেধ করেন। সম্পত্তি আমাদের বাবার। কিন্তু চাচারা চাচ্ছেন না আমাদের কিছু দেওয়া হোক। তাঁরা বলছেন, আমরা বৈধ সন্তান নই। কিন্তু বাবা ওই পরিবারের কাছে তালাক নিয়েই আমার মাকে বিয়ে করেন। আমরা তখন ছোট ছিলাম। তাই বাবা মারা যাওয়ার আগে প্রথম সংসারের বড় ছেলেকে বলে যান আমাদের দেখাশোনা করতে। তখন থেকে তিনি আমাদের খোঁজখবর রাখতেন। চাচাদের সঙ্গে কথা বলার পর ওই পক্ষের দুই ভাই আমাদের সম্পত্তির ভাগ দিতে নারাজ। আমরা এখন কীভাবে আইনি সহায়তা পেতে পারি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পাবনা
আপনার সৎভাইয়েরা বা আপনার চাচারা কোনো অধিকারবলেই আপনাদের মৃত বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারেন না। আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে আপনার মা ও আপনাদের তিন ভাই-বোনের অধিকার আছে। যেহেতু আপনার মায়ের সঙ্গে বাবার বিয়ে বৈধ ছিল, কাজেই আপনারাও বাবার বৈধ সন্তান। এই অবস্থায় যদি আপনাদের সৎভাইদের মায়ের সঙ্গে তালাক হয়ে থাকে, তাহলে তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো সম্পত্তি পাবেন না। আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হবেন আপনার দুই সৎভাই, আপনার নিজের এক ভাই, আপনারা দুই বোন এবং আপনার মা। আপনার মা মোট সম্পত্তির ৮ ভাগের ১ ভাগ পাবেন। তবে ভাইয়েরা যতটুকু পাবেন, বোনেরা তার অর্ধেক পাবেন।
আপনাদের সৎভাইদের সঙ্গে আরেকবার আলোচনা করে আইনটা বলুন। এ সময় আপনার সৎভাইদের মায়ের সঙ্গে যে তালাক হয়েছে, সেই তালাকনামা এবং আপনাদের মায়ের সঙ্গে আপনার বাবার যে বিয়ে হয়েছে, সেই বিয়ের কাবিননামা সঙ্গে রাখবেন। এতে কাজ না হলে আপনার সৎভাইদের উকিল নোটিশ পাঠাতে পারেন অথবা আপসবণ্টন করে নিতে পারেন। যদি এতেও কাজ না হয়, তাহলে নিম্ন আদালতে আপনাদের মামলা করতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

প্রশ্ন: আমরা দুই বোন, এক ভাই। বাবার দ্বিতীয় সংসারের সন্তান। বাবার আগের ঘরে দুই ছেলে রয়েছে। আমাদের দুই পরিবার আলাদা বসবাস করে। আগের ঘরের বড় ছেলের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ছিল। বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি আমাদের খোঁজখবর নিতেন। বর্তমানে আমার ভাইয়ের দেশের বাইরে যাওয়ার কথা। তাই কিছু আর্থিক সাহায্যের কথা তাঁদের জানাই। সবাই মিলে বসার পর, চাচারা আমাদের সম্পত্তির ভাগ দিতে নিষেধ করেন। সম্পত্তি আমাদের বাবার। কিন্তু চাচারা চাচ্ছেন না আমাদের কিছু দেওয়া হোক। তাঁরা বলছেন, আমরা বৈধ সন্তান নই। কিন্তু বাবা ওই পরিবারের কাছে তালাক নিয়েই আমার মাকে বিয়ে করেন। আমরা তখন ছোট ছিলাম। তাই বাবা মারা যাওয়ার আগে প্রথম সংসারের বড় ছেলেকে বলে যান আমাদের দেখাশোনা করতে। তখন থেকে তিনি আমাদের খোঁজখবর রাখতেন। চাচাদের সঙ্গে কথা বলার পর ওই পক্ষের দুই ভাই আমাদের সম্পত্তির ভাগ দিতে নারাজ। আমরা এখন কীভাবে আইনি সহায়তা পেতে পারি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পাবনা
আপনার সৎভাইয়েরা বা আপনার চাচারা কোনো অধিকারবলেই আপনাদের মৃত বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারেন না। আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে আপনার মা ও আপনাদের তিন ভাই-বোনের অধিকার আছে। যেহেতু আপনার মায়ের সঙ্গে বাবার বিয়ে বৈধ ছিল, কাজেই আপনারাও বাবার বৈধ সন্তান। এই অবস্থায় যদি আপনাদের সৎভাইদের মায়ের সঙ্গে তালাক হয়ে থাকে, তাহলে তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো সম্পত্তি পাবেন না। আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হবেন আপনার দুই সৎভাই, আপনার নিজের এক ভাই, আপনারা দুই বোন এবং আপনার মা। আপনার মা মোট সম্পত্তির ৮ ভাগের ১ ভাগ পাবেন। তবে ভাইয়েরা যতটুকু পাবেন, বোনেরা তার অর্ধেক পাবেন।
আপনাদের সৎভাইদের সঙ্গে আরেকবার আলোচনা করে আইনটা বলুন। এ সময় আপনার সৎভাইদের মায়ের সঙ্গে যে তালাক হয়েছে, সেই তালাকনামা এবং আপনাদের মায়ের সঙ্গে আপনার বাবার যে বিয়ে হয়েছে, সেই বিয়ের কাবিননামা সঙ্গে রাখবেন। এতে কাজ না হলে আপনার সৎভাইদের উকিল নোটিশ পাঠাতে পারেন অথবা আপসবণ্টন করে নিতে পারেন। যদি এতেও কাজ না হয়, তাহলে নিম্ন আদালতে আপনাদের মামলা করতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
৫ দিন আগে
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
৫ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
৫ দিন আগে
আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
১২ দিন আগে