
প্রশ্ন: আমরা দুই বোন, এক ভাই। বাবার দ্বিতীয় সংসারের সন্তান। বাবার আগের ঘরে দুই ছেলে রয়েছে। আমাদের দুই পরিবার আলাদা বসবাস করে। আগের ঘরের বড় ছেলের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ছিল। বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি আমাদের খোঁজখবর নিতেন। বর্তমানে আমার ভাইয়ের দেশের বাইরে যাওয়ার কথা। তাই কিছু আর্থিক সাহায্যের কথা তাঁদের জানাই। সবাই মিলে বসার পর, চাচারা আমাদের সম্পত্তির ভাগ দিতে নিষেধ করেন। সম্পত্তি আমাদের বাবার। কিন্তু চাচারা চাচ্ছেন না আমাদের কিছু দেওয়া হোক। তাঁরা বলছেন, আমরা বৈধ সন্তান নই। কিন্তু বাবা ওই পরিবারের কাছে তালাক নিয়েই আমার মাকে বিয়ে করেন। আমরা তখন ছোট ছিলাম। তাই বাবা মারা যাওয়ার আগে প্রথম সংসারের বড় ছেলেকে বলে যান আমাদের দেখাশোনা করতে। তখন থেকে তিনি আমাদের খোঁজখবর রাখতেন। চাচাদের সঙ্গে কথা বলার পর ওই পক্ষের দুই ভাই আমাদের সম্পত্তির ভাগ দিতে নারাজ। আমরা এখন কীভাবে আইনি সহায়তা পেতে পারি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পাবনা
আপনার সৎভাইয়েরা বা আপনার চাচারা কোনো অধিকারবলেই আপনাদের মৃত বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারেন না। আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে আপনার মা ও আপনাদের তিন ভাই-বোনের অধিকার আছে। যেহেতু আপনার মায়ের সঙ্গে বাবার বিয়ে বৈধ ছিল, কাজেই আপনারাও বাবার বৈধ সন্তান। এই অবস্থায় যদি আপনাদের সৎভাইদের মায়ের সঙ্গে তালাক হয়ে থাকে, তাহলে তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো সম্পত্তি পাবেন না। আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হবেন আপনার দুই সৎভাই, আপনার নিজের এক ভাই, আপনারা দুই বোন এবং আপনার মা। আপনার মা মোট সম্পত্তির ৮ ভাগের ১ ভাগ পাবেন। তবে ভাইয়েরা যতটুকু পাবেন, বোনেরা তার অর্ধেক পাবেন।
আপনাদের সৎভাইদের সঙ্গে আরেকবার আলোচনা করে আইনটা বলুন। এ সময় আপনার সৎভাইদের মায়ের সঙ্গে যে তালাক হয়েছে, সেই তালাকনামা এবং আপনাদের মায়ের সঙ্গে আপনার বাবার যে বিয়ে হয়েছে, সেই বিয়ের কাবিননামা সঙ্গে রাখবেন। এতে কাজ না হলে আপনার সৎভাইদের উকিল নোটিশ পাঠাতে পারেন অথবা আপসবণ্টন করে নিতে পারেন। যদি এতেও কাজ না হয়, তাহলে নিম্ন আদালতে আপনাদের মামলা করতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

ইরানের ধূলিধূসরিত রাজপথ আজ শুধু প্রতিবাদের সাক্ষী নয়। বর্তমান আন্দোলনের জের ধরে একে মানুষের রক্তেভেজা ইতিহাসের দলিলও বলা চলে। ২০২৬ সালের শুরুতে ইরানের ইস্পাহান, গোরগান এবং তেহরানের রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে স্লোগানে। এই আন্দোলনে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছেন নারীরা।
১ দিন আগে
প্রশ্ন: আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাড়িতে থাকি। আব্বু, আম্মু অন্য জেলায় চাকরি করেন, ভাইয়া ঢাকায় পড়াশোনা করে। দাদিদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কলেজে যাই, বাসায় আসি, রান্না করি, বাসার অন্যান্য কাজ করি, ঘুমাই। সামনে আমার পরীক্ষা, পড়াশোনায় ফোকাস রাখার চেষ্টা করি।
১ দিন আগে
নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার প্রশ্নে বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিবিএস, ইউএনএফপিএ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ঘরে-বাইরে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ঘরের ভেতরে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
১ দিন আগে
দেড় শ বছর আগে একজন নারীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা ছিল সমাজের চোখে এক বিশাল ধৃষ্টতা। সেই ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন সোফিয়া জ্যাকস-ব্লেক। তিনি কঠিন সময়েও পিছু হটেননি। অপমানকে পুঁজি করে জনমত গঠন করে প্রমাণ করেছিলেন, চিকিৎসা পেশায় নারীদের প্রয়োজনীয়তা কতটা জরুরি।
১ দিন আগে