বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং সংগীতজগতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি সন্জীদা খাতুন। ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৯১ বছর বয়সে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি মারা যান। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।
সন্জীদা খাতুন একাধারে ছিলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সংগীতজ্ঞ ও শিক্ষক। তবে তাঁর সব পরিচয়কে ছাপিয়ে গিয়েছে সাংস্কৃতিক সংগঠক পরিচয়টি। ছায়ানটসহ রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, নালন্দা, কণ্ঠশীলন ও ব্রতচারী সংগঠন তৈরি এবং এগুলোর বিস্তারে তাঁর ভূমিকা অসামান্য। পাকিস্তান আমলের বিরুদ্ধ সময়ে ছায়ানটের গোড়াপত্তন এবং রমনার বটমূলে নববর্ষের উৎসব আয়োজনে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
সহযোদ্ধা জাহিদুর রহিমের স্মৃতিতে সন্জীদা খাতুন গড়ে তোলেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ। শিশুদের জন্য সংস্কৃতিবান্ধব বিদ্যালয় নালন্দা, কণ্ঠশীলন ও ব্রতচারী সংগঠনের প্রসারে তাঁর নিরলস পরিশ্রম বর্তমান প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।
শৈশবে নারীশিক্ষা মন্দির এবং আনন্দময়ী স্কুলে সন্জীদা খাতুনের শিক্ষার হাতেখড়ি। এরপর ইডেন স্কুল ও কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাঠ শেষ করে তিনি উচ্চশিক্ষা নেন বিশ্বভারতীতে। কর্মজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আজীবন অসাম্প্রদায়িক আদর্শে অটল ছিলেন সন্জীদা খাতুন। পাকিস্তান সরকারের সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে আপস না করায় তাঁকে রংপুরের কারমাইকেল কলেজে বদলি হতে হয়েছিল।
রবীন্দ্র বিশারদ হিসেবে সন্জীদা খাতুনের লেখা স্মরণীয়। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একুশে পদক, ভারত সরকারের পদ্মশ্রী, বিশ্বভারতীর দেশিকোত্তম, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা এক দুরন্ত মেয়ের নাম হামিদ আক্তার জেবা। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলা ছিল তাঁর নেশা। সেই নেশা একসময় তাঁকে নিয়ে যায় ম্যারাথনের কঠিন পথে। বাবা-মা, ভাই ও ভাবির সঙ্গে তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। খেলাধুলাপ্রিয় বাবার অনুপ্রেরণায় জেবার এই পথচলা।
৬ মিনিট আগে
আমার ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। আমাদের বাবা নেই। মা, আমি আর ভাই থাকি। খুব সম্প্রতি মায়ের গায়ে হাত তুলেছে ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে সে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিল কয়েকবার। আমরা তার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য তাদের বাসায় দাওয়াত করি।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধের বীভৎসতা যতই থাক, বছর ঘুরে আসে ঈদ। এটি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং বিশ্বাস, সংস্কৃতি আর শিকড়ের টানে ফেরার এক পরম মুহূর্ত। কিন্তু এ বছরের ঈদুল ফিতরে বিশ্বজুড়ে একই সুর বাজেনি। কোথাও বেজেছে পুনর্মিলনের আনন্দগান, আবার কোথাও রণক্ষেত্রের আর্তনাদ।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোলেস্তান। সেখানে বসবাস করেন মারভে পোরকাজ। পেশায় তিনি হেয়ারড্রেসার। সম্প্রতি বাড়ির কাছে বোমা বিস্ফোরিত হলে ভীত পোরকাজ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ৩২ বছর বয়সী পোরকাজ জানান, তিনি প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পার্বত্য সীমান্তে পৌঁছান।
৭ দিন আগে