অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া

বৈশ্বিক চালচিত্রে ৮৫ শতাংশ মানুষ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর অধিবাসী। তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত এবং জাতিগত বৈচিত্র্য ব্যাপক। সীমিত সম্পদের মধ্যে দিন গুজরান করা তাদের এক বড় বৈশিষ্ট্য। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের বেশির ভাগই দ্রুত নগরায়ণ, মহামারি-পরবর্তী আর্থসামাজিক পরিবর্তন, জলবায়ুর বিপন্নতা ইত্যাদির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। ফলে দারিদ্র্য, যুদ্ধ কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনপ্রক্রিয়া তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রতিকূল মনোসামাজিক প্রভাব সৃষ্টি করছে।
এখনকার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে পশ্চিমা দুনিয়া ঔপনিবেশিক দৃষ্টিতে দেখে। তবে এখন সময় এসেছে পাশ্চাত্যের আর্মচেয়ার ইন্টেলেকচুয়ালরা প্রাচ্য সম্পর্কে যে গবেষণালব্ধ উপাত্ত পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করছে, সেগুলো পাশ্চাত্যের লেন্সে না দেখে প্রাচ্যের দৃষ্টিতে দেখার। তারপরও বলতে হবে, সীমাবদ্ধ সম্পদের মধ্যে বসবাস করলে মানুষের মনোদৈহিক ও মনোসামাজিক চাপ গড় আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে।
পৃথিবীজুড়ে নারী ও পুরুষের আনুপাতিক হারে নারীদের সংখ্যা কিঞ্চিৎ বেশি। তারপরও নারীরা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের তুলনায় কম স্বাবলম্বী হওয়ায় মানসিক, শারীরিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের ব্যাধিতে বেশি ভুক্তভোগী।
এ
সব কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে, বিশ্বব্যাপী ব্যাপক মানসিক স্বাস্থ্যের বোঝা এবং এর প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার মাঝখানে সেতুবন্ধন তৈরি জরুরি। এ জন্য সংস্থাটি তার মেন্টাল হেলথ গ্লোবাল অ্যাকশন প্রোগ্রামকে ৫৫তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে সম্পৃক্ত করে ২০০২ সালে। এটি ২০০৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে শহর নিবাসী নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তার লক্ষণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ, জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বহনে নারী এখন আর অন্তঃপুরের বাসিন্দা হিসেবে থাকতে পারছে না।
গত ২০ বছরে বাংলাদেশ নারী শিক্ষায় এবং ক্ষমতায়নে বেশ খানিক এগিয়েছে। তবে সম্ভবত ক্ষমতায়নের ফলে রূপান্তরিত নারী সমাজকে ধারণ করতে তাদের জীবনসঙ্গীদের সক্ষমতার বিষয়ে আমরা দৃষ্টি দিইনি।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ৮০ শতাংশ মানুষ মানসিক রোগে ভুগছে। অক্সফোর্ড টেক্সট বুক অব সোশ্যাল সাইকিয়াট্রি
খুব সচেতনভাবে লেখক হিসেবে আমি পুরুষদের কোনো দোষ দিচ্ছি না। কারণ, পুরুষটি ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছে, পুরুষ হওয়ার কারণে মা তার বাড়ির যত্ন নিচ্ছে। সেই পুরুষটি বড় হয়ে স্ত্রীর কাছেও সে আচরণ আশা করবে স্বাভাবিকভাবে। পুরুষটি দেখছে তার কর্মজীবী নারী সঙ্গীটি উপযুক্তভাবে টেবিলে খাবার পরিবেশন, অতিথি আপ্যায়ন, ঘর গুছিয়ে রাখা, সন্তানের স্কুল থেকে আনা-নেওয়া ইত্যাদি কাজে ঠিকমতো সময় দিতে পারছে না। পুরুষ হিসেবে সেটা মেনে নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এই পুরুষটি যখন পাশ্চাত্যে যাচ্ছে, তখন কিন্তু স্বামী-স্ত্রী কাজ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। অথচ দেশে মা অফিসে গেলে সন্তান কে দেখবে, গৃহকর্মীর ওপর নির্ভরশীলতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যায় নারী-পুরুষ উভয়েই জর্জরিত হচ্ছে। ফলে দাম্পত্য সুর বিনষ্ট হচ্ছে।
এদিকে গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে বার্ধক্যজনিত রোগ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিশ্বে প্রতি তিন সেকেন্ডে একজন মানুষ স্মৃতিভ্রষ্ট বা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। যৌথ পরিবার যেহেতু ভেঙে গেছে, কাজেই বাড়ির শিশুটির যত্নের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির বয়স্ক মানুষটির যত্নের লোকেরও অভাব ঘটছে। টাকা দিয়েও সেবাকর্মী পাওয়া এখন দুর্লভ। এই সুযোগে ব্যবসাজীবীরা উচ্চ মূল্যে সেবা দিতে ঢুকে পড়ছে। কিন্তু সেই সেবার মান নিয়ে অভিযোগ আছে বিস্তর।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে রোগীর চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপ্রাপ্তির ব্যবধান ৭৫ শতাংশের বেশি।
আমরা একটি ক্রান্তিকালে বাস করছি। যেখানে অতিমারির ছোবল আমাদের শেখাল বাসা থেকে অফিস করা যায়, স্কুল করা যায়, বাজার করা যায়। সেই সঙ্গে বিশ্বায়নের ক্রমাগত হাতছানি আমাদের সংস্কৃতি থেকে ক্রমেই বিচ্যুত করছে। আমরা হয় অতি আধুনিকতা অথবা অতি ধার্মিক আচরণের মধ্যে ক্রমেই ঢুকে যাচ্ছি।
স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলার বড় বিপদ হবে কাকের ময়ূরপুচ্ছ ধারণের মতো। না আমি নিজের সমাজে ফিরতে পারব ভূমিপুত্র হিসেবে, না আমি যে সমাজের হতে চাচ্ছি তাদের আপনজন হব। এই নব্য উপনিবেশ অবচেতনভাবে আমাদের পাহাড়ের শেষ প্রান্তে ফেলে দিচ্ছে। যেখানে ক্রমেই আমরা নিজস্ব সমাজ সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুত হচ্ছি অবচেতনভাবে।
এই জটিল অবস্থায় সামগ্রিকভাবে নারীদের মানসিক সমস্যা বাড়ার প্রবণতা তৈরি করেছে। এ থেকে উত্তরণের বড় পথ বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করা।
লেখক: চিকিৎসক, কাউন্সেলর, সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার বিডি

বৈশ্বিক চালচিত্রে ৮৫ শতাংশ মানুষ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর অধিবাসী। তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত এবং জাতিগত বৈচিত্র্য ব্যাপক। সীমিত সম্পদের মধ্যে দিন গুজরান করা তাদের এক বড় বৈশিষ্ট্য। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের বেশির ভাগই দ্রুত নগরায়ণ, মহামারি-পরবর্তী আর্থসামাজিক পরিবর্তন, জলবায়ুর বিপন্নতা ইত্যাদির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। ফলে দারিদ্র্য, যুদ্ধ কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনপ্রক্রিয়া তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রতিকূল মনোসামাজিক প্রভাব সৃষ্টি করছে।
এখনকার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে পশ্চিমা দুনিয়া ঔপনিবেশিক দৃষ্টিতে দেখে। তবে এখন সময় এসেছে পাশ্চাত্যের আর্মচেয়ার ইন্টেলেকচুয়ালরা প্রাচ্য সম্পর্কে যে গবেষণালব্ধ উপাত্ত পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করছে, সেগুলো পাশ্চাত্যের লেন্সে না দেখে প্রাচ্যের দৃষ্টিতে দেখার। তারপরও বলতে হবে, সীমাবদ্ধ সম্পদের মধ্যে বসবাস করলে মানুষের মনোদৈহিক ও মনোসামাজিক চাপ গড় আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে।
পৃথিবীজুড়ে নারী ও পুরুষের আনুপাতিক হারে নারীদের সংখ্যা কিঞ্চিৎ বেশি। তারপরও নারীরা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের তুলনায় কম স্বাবলম্বী হওয়ায় মানসিক, শারীরিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের ব্যাধিতে বেশি ভুক্তভোগী।
এ
সব কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে, বিশ্বব্যাপী ব্যাপক মানসিক স্বাস্থ্যের বোঝা এবং এর প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার মাঝখানে সেতুবন্ধন তৈরি জরুরি। এ জন্য সংস্থাটি তার মেন্টাল হেলথ গ্লোবাল অ্যাকশন প্রোগ্রামকে ৫৫তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে সম্পৃক্ত করে ২০০২ সালে। এটি ২০০৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে শহর নিবাসী নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তার লক্ষণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ, জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বহনে নারী এখন আর অন্তঃপুরের বাসিন্দা হিসেবে থাকতে পারছে না।
গত ২০ বছরে বাংলাদেশ নারী শিক্ষায় এবং ক্ষমতায়নে বেশ খানিক এগিয়েছে। তবে সম্ভবত ক্ষমতায়নের ফলে রূপান্তরিত নারী সমাজকে ধারণ করতে তাদের জীবনসঙ্গীদের সক্ষমতার বিষয়ে আমরা দৃষ্টি দিইনি।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ৮০ শতাংশ মানুষ মানসিক রোগে ভুগছে। অক্সফোর্ড টেক্সট বুক অব সোশ্যাল সাইকিয়াট্রি
খুব সচেতনভাবে লেখক হিসেবে আমি পুরুষদের কোনো দোষ দিচ্ছি না। কারণ, পুরুষটি ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছে, পুরুষ হওয়ার কারণে মা তার বাড়ির যত্ন নিচ্ছে। সেই পুরুষটি বড় হয়ে স্ত্রীর কাছেও সে আচরণ আশা করবে স্বাভাবিকভাবে। পুরুষটি দেখছে তার কর্মজীবী নারী সঙ্গীটি উপযুক্তভাবে টেবিলে খাবার পরিবেশন, অতিথি আপ্যায়ন, ঘর গুছিয়ে রাখা, সন্তানের স্কুল থেকে আনা-নেওয়া ইত্যাদি কাজে ঠিকমতো সময় দিতে পারছে না। পুরুষ হিসেবে সেটা মেনে নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এই পুরুষটি যখন পাশ্চাত্যে যাচ্ছে, তখন কিন্তু স্বামী-স্ত্রী কাজ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। অথচ দেশে মা অফিসে গেলে সন্তান কে দেখবে, গৃহকর্মীর ওপর নির্ভরশীলতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যায় নারী-পুরুষ উভয়েই জর্জরিত হচ্ছে। ফলে দাম্পত্য সুর বিনষ্ট হচ্ছে।
এদিকে গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে বার্ধক্যজনিত রোগ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিশ্বে প্রতি তিন সেকেন্ডে একজন মানুষ স্মৃতিভ্রষ্ট বা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। যৌথ পরিবার যেহেতু ভেঙে গেছে, কাজেই বাড়ির শিশুটির যত্নের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির বয়স্ক মানুষটির যত্নের লোকেরও অভাব ঘটছে। টাকা দিয়েও সেবাকর্মী পাওয়া এখন দুর্লভ। এই সুযোগে ব্যবসাজীবীরা উচ্চ মূল্যে সেবা দিতে ঢুকে পড়ছে। কিন্তু সেই সেবার মান নিয়ে অভিযোগ আছে বিস্তর।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে রোগীর চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপ্রাপ্তির ব্যবধান ৭৫ শতাংশের বেশি।
আমরা একটি ক্রান্তিকালে বাস করছি। যেখানে অতিমারির ছোবল আমাদের শেখাল বাসা থেকে অফিস করা যায়, স্কুল করা যায়, বাজার করা যায়। সেই সঙ্গে বিশ্বায়নের ক্রমাগত হাতছানি আমাদের সংস্কৃতি থেকে ক্রমেই বিচ্যুত করছে। আমরা হয় অতি আধুনিকতা অথবা অতি ধার্মিক আচরণের মধ্যে ক্রমেই ঢুকে যাচ্ছি।
স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলার বড় বিপদ হবে কাকের ময়ূরপুচ্ছ ধারণের মতো। না আমি নিজের সমাজে ফিরতে পারব ভূমিপুত্র হিসেবে, না আমি যে সমাজের হতে চাচ্ছি তাদের আপনজন হব। এই নব্য উপনিবেশ অবচেতনভাবে আমাদের পাহাড়ের শেষ প্রান্তে ফেলে দিচ্ছে। যেখানে ক্রমেই আমরা নিজস্ব সমাজ সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুত হচ্ছি অবচেতনভাবে।
এই জটিল অবস্থায় সামগ্রিকভাবে নারীদের মানসিক সমস্যা বাড়ার প্রবণতা তৈরি করেছে। এ থেকে উত্তরণের বড় পথ বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করা।
লেখক: চিকিৎসক, কাউন্সেলর, সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার বিডি

যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
৬ দিন আগে
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
৬ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
৬ দিন আগে
আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
১৩ দিন আগে