ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা

সত্তরের দশকে ভারতের কেরালার একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। লড়াকু মনোভাবের মানুষের কাছে হার মানতে হয়েছিল প্রশাসনকে। আন্দোলনটি কেরালার ৮ বর্গকিলোমিটারের বেশি বনাঞ্চলে একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প ঘিরে সংঘটিত হয়েছিল। সবশেষে সেটি বাতিল করা হয়েছিল ৮০ বছরের এক বৃদ্ধার অনড় অবস্থানের জন্য। তাঁর নাম জানকী অম্মল। তিনি ভারতের প্রথম নারী উদ্ভিদবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
সাইলেন্ট ভ্যালি প্রকল্পের বিরুদ্ধে জানকীদের আন্দোলন অন্য মাত্রা পেয়েছিল। ক্রমাগত স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে ১৯৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর সেই প্রকল্প বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল কেরালা সরকার; তবে তা দেখে যেতে পারেননি জানকী। প্রকল্প বাতিল ঘোষণা করার ৯ মাস আগে ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি।
বিজ্ঞানের জগতে যুগে যুগে পুরুষের পাশাপাশি কান্ডারি হয়েছেন নারীরাও। তবে বর্ণ, গোত্র আর লৈঙ্গিকভিত্তিক সমাজের দাপটে তাঁদের অনেকে থেকে গেছেন অবহেলায়, অনাদরে। উনিশ শতকে এই সাহস দেখিয়েছিলেন জানকী অম্মল। সে সময় তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভারতের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী। কোয়ম্বত্তুরে ইম্পেরিয়াল সুগারকেন ইনস্টিটিউট তখন জানকীর পারদর্শিতায় ভরসা রেখে নতুন এক জাতের আখ উৎপন্ন করতে সমর্থ হয়েছিল। জানকীর গবেষণার জেরেই সেই দেশের আবহাওয়ায় ক্রসব্রিডের আখ উৎপন্ন করা গিয়েছিল, যাতে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
১৯৪৬ সালে নরফোকের ইনস্টিটিউট ছেড়ে লন্ডনের রয়্যাল হর্টিকালচারাল সোসাইটিতে যোগ দেওয়া প্রথম বেতনভোগী নারী সদস্য জানকী। তিনি বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালির মধ্যে নিষেক করিয়ে নতুন হাইব্রিড প্রজাতি তৈরি করেছিলেন। জানকীই প্রথম ভারতীয় নারী, যিনি উদ্ভিদবিজ্ঞানের ওপর পিএইচডি করেন।
কেরালা রাজ্যের তেলিচেরি শহরে জন্ম ইডাবলেট কাক্কট জানকী অম্মলের। তাঁর বাবা এ কে কৃষ্ণান পেশাগত জীবনে একজন পাখিবিশারদ ও সাবজজ ছিলেন। কেরালায় একটি খ্রিষ্টান মিশনারি স্কুলে লেখাপড়া শেষ করে কুইন মেরি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন জানকী। তারপর মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞানে লেখাপড়া করেন। তার দুই বছর পর স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর ১৯২৪ সালে লেভি বারবার স্কলারশিপ নিয়ে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৩১ সালে তিনি প্রাচ্যের প্রথম বারবার ফেলো হিসেবে পুনরায় মিশিগানে যান এবং তাঁর ডক্টর অব সায়েন্স সম্পন্ন করেন।
জানকী অম্মল কেরালার থলসেরিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৯৭ সালের ৪ নভেম্বর। ১৯৮৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন ইডাবলেট কাক্কট জানকী অম্মল।

সত্তরের দশকে ভারতের কেরালার একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। লড়াকু মনোভাবের মানুষের কাছে হার মানতে হয়েছিল প্রশাসনকে। আন্দোলনটি কেরালার ৮ বর্গকিলোমিটারের বেশি বনাঞ্চলে একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প ঘিরে সংঘটিত হয়েছিল। সবশেষে সেটি বাতিল করা হয়েছিল ৮০ বছরের এক বৃদ্ধার অনড় অবস্থানের জন্য। তাঁর নাম জানকী অম্মল। তিনি ভারতের প্রথম নারী উদ্ভিদবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
সাইলেন্ট ভ্যালি প্রকল্পের বিরুদ্ধে জানকীদের আন্দোলন অন্য মাত্রা পেয়েছিল। ক্রমাগত স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে ১৯৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর সেই প্রকল্প বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল কেরালা সরকার; তবে তা দেখে যেতে পারেননি জানকী। প্রকল্প বাতিল ঘোষণা করার ৯ মাস আগে ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি।
বিজ্ঞানের জগতে যুগে যুগে পুরুষের পাশাপাশি কান্ডারি হয়েছেন নারীরাও। তবে বর্ণ, গোত্র আর লৈঙ্গিকভিত্তিক সমাজের দাপটে তাঁদের অনেকে থেকে গেছেন অবহেলায়, অনাদরে। উনিশ শতকে এই সাহস দেখিয়েছিলেন জানকী অম্মল। সে সময় তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভারতের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী। কোয়ম্বত্তুরে ইম্পেরিয়াল সুগারকেন ইনস্টিটিউট তখন জানকীর পারদর্শিতায় ভরসা রেখে নতুন এক জাতের আখ উৎপন্ন করতে সমর্থ হয়েছিল। জানকীর গবেষণার জেরেই সেই দেশের আবহাওয়ায় ক্রসব্রিডের আখ উৎপন্ন করা গিয়েছিল, যাতে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
১৯৪৬ সালে নরফোকের ইনস্টিটিউট ছেড়ে লন্ডনের রয়্যাল হর্টিকালচারাল সোসাইটিতে যোগ দেওয়া প্রথম বেতনভোগী নারী সদস্য জানকী। তিনি বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালির মধ্যে নিষেক করিয়ে নতুন হাইব্রিড প্রজাতি তৈরি করেছিলেন। জানকীই প্রথম ভারতীয় নারী, যিনি উদ্ভিদবিজ্ঞানের ওপর পিএইচডি করেন।
কেরালা রাজ্যের তেলিচেরি শহরে জন্ম ইডাবলেট কাক্কট জানকী অম্মলের। তাঁর বাবা এ কে কৃষ্ণান পেশাগত জীবনে একজন পাখিবিশারদ ও সাবজজ ছিলেন। কেরালায় একটি খ্রিষ্টান মিশনারি স্কুলে লেখাপড়া শেষ করে কুইন মেরি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন জানকী। তারপর মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞানে লেখাপড়া করেন। তার দুই বছর পর স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর ১৯২৪ সালে লেভি বারবার স্কলারশিপ নিয়ে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৩১ সালে তিনি প্রাচ্যের প্রথম বারবার ফেলো হিসেবে পুনরায় মিশিগানে যান এবং তাঁর ডক্টর অব সায়েন্স সম্পন্ন করেন।
জানকী অম্মল কেরালার থলসেরিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৯৭ সালের ৪ নভেম্বর। ১৯৮৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন ইডাবলেট কাক্কট জানকী অম্মল।

যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
৪ দিন আগে
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
৪ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
৪ দিন আগে
আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
১১ দিন আগে