নারীর অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন সংস্কার জরুরি বলে জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘প্রজ্ঞা’। বিভিন্ন বাস্তবতার নিরিখে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, শক্তিশালী নিবন্ধন ব্যবস্থা না থাকলে নারীর আইনগত পরিচয় নিশ্চিত হয় না, ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও আইনি ন্যায্যতা থেকে তারা বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার এক বিবৃতিতে এ সব বিষয় তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি। ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আগামীকাল ৮ মার্চ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬।
দিবসটি উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা বলেছে, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
সংগঠনটির মতে, একটি কন্যাশিশুর জন্ম নিবন্ধনই তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষার প্রথম ধাপ। জন্ম নিবন্ধন না থাকলে বয়স প্রমাণ করা যায় না, ফলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বড় বাধা তৈরি হয়। বাল্যবিবাহ কন্যাশিশুদের অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্বের ঝুঁকি বাড়ায়, তাদের শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং সহিংসতার শিকার হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ায়। নিবন্ধন না থাকলে নারী পাচার ও ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। একইভাবে, মৃত্যু নিবন্ধন না থাকলে কোনো নারীর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি সুরক্ষিত থাকে না। এতে আত্মীয়–স্বজনের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ঝুঁকি বাড়ে।
বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। তবে এখনো দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতা শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন সংশোধন করে পরিবারনির্ভর ব্যবস্থার পরিবর্তে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব। এতে হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু জন্মের মুহূর্তেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হতে পারে।
প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘নারীর অধিকারের সূচনা হয় তার আইনগত পরিচয় থেকে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রভিত্তিক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধন অর্জনের পাশাপাশি নারীর অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।’

ঘড়িতে তখন ভোর ৫টা। চারপাশ যখন নিস্তব্ধ, তখন একজন গৃহবধূর দিন শুরু হয়। পরিবারের সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তিনি তখন রান্নাঘরে চুলার ছাই পরিষ্কার করছেন। পানি তোলা, নাশতা বানানো, সন্তানকে স্কুলের জন্য তৈরি করা থেকে শুরু করে গবাদিপশুর তদারকি—সবই তাঁর ভোরের রুটিন। বাংলাদেশের কোটি কোটি নারীর প্রতিদিনের..
২ দিন আগে
২০২১ সালের আগস্ট মাসের আগেও আফগানিস্তানের গণমাধ্যম ছিল প্রাণবন্ত। টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠত সংবাদ পাঠিকাদের মুখ, রেডিওতে ভেসে আসত নারীদের কণ্ঠস্বর। শুধু তা-ই নয়, মাঠপর্যায়ে থাকা নারী সাংবাদিকেরা তুলে ধরতেন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্প। কিন্তু সময় বদলে গেছে।
২ দিন আগে
আমি চাকরি সূত্রে গাজীপুরে অফিস কোয়ার্টারে থাকি। আমার পরিবারের সবাই খুলনায় থাকে। এখানে রাত ৮টা বাজার আগেই গভীর রাতের নীরবতা নেমে আসে। অনেকটা সময় বিদ্যুৎ থাকে না। দোকানপাটও খুব একটা নেই। একমাত্র ছুটিতেই বাড়ি যেতে পারি।
২ দিন আগে
শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের একসঙ্গে বসে খাওয়ার অধিকার আদায় করার একটি সফল ক্যাম্পেইন ‘লাঞ্চ কাউন্টার সিট-ইন’। ডায়ান ন্যাশ সেই ঐতিহাসিক সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রথমবারের মতো সার্থকভাবে এটি লাঞ্চ কাউন্টারগুলোতে বর্ণবৈষম্যের প্রাচীর ভেঙে দিয়েছিল। আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাস...
২ দিন আগে