শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া প্রথম নারী অস্ট্রীয় ঔপন্যাসিক বের্টা ফন জুটনার। পুরো নাম বের্টা ফেলিতসিটার জোফিয়ে ফ্রাইফ্রাউ ফন জুটনার। ১৮৪৩ সালে তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার রাজধানী প্রাগ শহরে জন্মগ্রহণ করেন বের্টা। ১৮৮৯ সালে ছদ্মনামে প্রকাশিত তাঁর ‘দা মেশিন’ গ্রন্থটি জনপ্রিয় হলেও বছরের শেষের দিকে প্রকাশিত উপন্যাস ‘ডাই ওয়াফেন নিডার’ তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও স্বীকৃতি এনে দিয়েছিল। এই উপন্যাস অবলম্বনে মোট দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়েছিল।
‘লো ডাউন ইয়োর আর্মস’ উপন্যাস প্রকাশের পরেই শান্তি আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন বের্টা। ১৮৯১ সালে তিনি একটি শান্তিকামী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৯২ থেকে ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শান্তিকামী সাময়িকীর সম্পাদক ছিলেন বের্টা ফন জুটনার। আলফ্রেড নোবেল তাঁর সব অর্থ যেসব পুরস্কারের জন্য উইল করে দিয়েছিলেন তার মধ্যে শান্তি পুরস্কার সংযুক্ত করার পেছনে প্রভাব রয়েছে বের্টার। তিনি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘লো ডাউন ইয়োর আর্মস’-এর জন্য ১৯০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে ১৯১৪ সালের ২১ জুন অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে ৭১ বছর বয়সে মারা যান বের্টা ফন জুটনার।

অক্টোবর, ১৯৫১। হিমাচলের কল্পা অঞ্চলের এক দুর্গম পাহাড়ি গ্রাম। সেখান থেকে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে এক তরুণী তাঁর বৃদ্ধ মাকে নিয়ে এসেছেন ভোটকেন্দ্রে। উদ্দেশ্য ছিল, স্বাধীন ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ।
৫ দিন আগে
রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রুমিং বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি ভয়াবহ রূপ নেয়। কারণ, সেখানে ক্ষমতা, প্রলোভন, গোপনীয়তা ও প্রভাব একসঙ্গে কাজ করে। সম্প্রতি রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের এমন কিছু সংবাদ দেখিয়ে দিয়েছে, গ্রুমিং পরিচিত ও ক্ষমতাধর ব্যক্তির হাতেও ঘটতে পারে।
৫ দিন আগে
প্রশ্ন: একটি স্কুটি কেনার জন্য ঋণের আবেদন করেছি। আমি একটি স্কুলে পড়াই এবং বেতনসংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আট মাস ধরে আমাকে এই লোনের জন্য ঘোরানো হচ্ছে। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়েছি। আমরা তিন বোন এবং আমার বাবা নেই। আমার মা চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। লোনের গ্যারান্টার কাকে করা হলে আমার লোন পাওয়ার
৫ দিন আগে
আজ জাতীয় কন্যা শিশু দিবস। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কন্যাশিশুদের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে অগ্রগতি ও উদ্বেগের এক মিশ্র চিত্র সামনে আসে। বিগত বছরগুলোতে সরকারি নানা উদ্যোগ ও উপবৃত্তির কল্যাণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের ভর্তির হার প্রশংসনীয়ভাবে বেড়েছে এবং লৈঙ্গিক সমতা অর্জিত হয়েছে।
৫ দিন আগে