মিসরীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ রন্ধন লেখক এবং সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানী ক্লডিয়া রোডেন। তাঁর লেখায় পিরিচ ও চামচের শব্দের সঙ্গে মিশে থাকে নির্বাসন, ভালোবাসা এবং ফেলে আসা দেশের প্রতি আবেগ। ৮৫ বছর বয়সে প্রকাশিত তাঁর সর্বশেষ বই ‘ক্লডিয়া রোডেনস মেডিটেরিয়ান’-এ তিনি নিজের ব্যক্তিগত স্মৃতি ও সহজ ঘরোয়া রেসিপিগুলো প্রকাশ করেছেন। রন্ধনশৈলীকে সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাসের গবেষণার বিষয়ে পরিণত করা ক্লডিয়া রোডেনের ক্যারিয়ারের বড় সার্থকতা।
ক্লডিয়ার ৬০ বছর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, খাবারের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি এবং ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করা। ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত তাঁর কালজয়ী বই ‘দ্য নিউ বুক অব মিডিল ইস্টার্ন ফুড’ পশ্চিমা বিশ্বের
কাছে মধ্যপ্রাচ্যের রন্ধনশৈলীকে প্রথমবারের মতো পরিচিত করিয়ে দেয়।
১৯৫৬ সালে সুয়েজ সংকটের সময় মিসর থেকে বিতাড়িত হয়ে লন্ডনে আশ্রয় নেন রোডেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের এই নির্বাসন এবং নিজের শিকড় হারানোর বেদনা থেকে রান্নার প্রতি গভীর আগ্রহ জন্মে তাঁর। তিনি শুধু রেসিপিই সংগ্রহ করেননি; বরং তিনি একজন নৃবিজ্ঞানীর মতো উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ঘুরে মানুষের স্মৃতি ও গল্প থেকে ঐতিহ্যবাহী স্বাদগুলো সংরক্ষণ করেছেন। তাঁর বিখ্যাত কাজ ‘দ্য বুক অব জিউইশ ফুড’ ইহুদি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং তাদের অভিবাসনের ইতিহাসকে খাবারের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে।
রোডেনের কাজের বিশেষত্ব হলো, তিনি খাবারকে শুধু রান্নার প্রক্রিয়া হিসেবে দেখেন না; বরং একে পরিচয় এবং শিকড়ের ধারক হিসেবে বিবেচনা করেন। রোডেনের পরিবারে আরবি, ফরাসি এবং ইতালীয় ভাষার মিশ্রণ ছিল। তাঁর রান্নাঘরেও এ বৈচিত্র্য স্পষ্ট। তিনি মনে করেন, রান্নার রেসিপি আদান-প্রদান আসলে ভালোবাসা আর স্মৃতির আদান-প্রদান।

ঘড়িতে তখন ভোর ৫টা। চারপাশ যখন নিস্তব্ধ, তখন একজন গৃহবধূর দিন শুরু হয়। পরিবারের সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তিনি তখন রান্নাঘরে চুলার ছাই পরিষ্কার করছেন। পানি তোলা, নাশতা বানানো, সন্তানকে স্কুলের জন্য তৈরি করা থেকে শুরু করে গবাদিপশুর তদারকি—সবই তাঁর ভোরের রুটিন। বাংলাদেশের কোটি কোটি নারীর প্রতিদিনের..
১ দিন আগে
২০২১ সালের আগস্ট মাসের আগেও আফগানিস্তানের গণমাধ্যম ছিল প্রাণবন্ত। টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠত সংবাদ পাঠিকাদের মুখ, রেডিওতে ভেসে আসত নারীদের কণ্ঠস্বর। শুধু তা-ই নয়, মাঠপর্যায়ে থাকা নারী সাংবাদিকেরা তুলে ধরতেন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্প। কিন্তু সময় বদলে গেছে।
২ দিন আগে
আমি চাকরি সূত্রে গাজীপুরে অফিস কোয়ার্টারে থাকি। আমার পরিবারের সবাই খুলনায় থাকে। এখানে রাত ৮টা বাজার আগেই গভীর রাতের নীরবতা নেমে আসে। অনেকটা সময় বিদ্যুৎ থাকে না। দোকানপাটও খুব একটা নেই। একমাত্র ছুটিতেই বাড়ি যেতে পারি।
২ দিন আগে
শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের একসঙ্গে বসে খাওয়ার অধিকার আদায় করার একটি সফল ক্যাম্পেইন ‘লাঞ্চ কাউন্টার সিট-ইন’। ডায়ান ন্যাশ সেই ঐতিহাসিক সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রথমবারের মতো সার্থকভাবে এটি লাঞ্চ কাউন্টারগুলোতে বর্ণবৈষম্যের প্রাচীর ভেঙে দিয়েছিল। আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাস...
২ দিন আগে