
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দেওয়া আসনে চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ) শেষ মুহূর্তে ইশতেহার ঘোষণা করলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা।
এই আসনে শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ, আর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের। জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের দুই প্রার্থী মাঠে থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।
এই আসনে জামায়াত প্রথমে ডা. মো. আবু নাছেরকে প্রার্থী ঘোষণা করে। এনসিপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার পর এখানে জোটের প্রার্থী করা হয় এনসিপি নেতা জোবাইরুল হাসান আরিফকে। কিন্তু জামায়াতের প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি, তিনিও মাঠে রয়েছেন। সর্বশেষ দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ১১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করলেন। গতকাল সোমবার রাতে তিনি ইশতেহার তুলে ধরেন।
ইশতেহার ঘোষণাকালে আবু নাছের বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা খাতে দৃশ্যমান ও মৌলিক পরিবর্তন আনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। তাঁর লক্ষ্য শহর ও গ্রামের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এ ছাড়া কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, চান্দগাঁও, বোয়ালখালী এবং পাঁচলাইশ-বায়েজিদ এলাকার আংশিক জলাবদ্ধতা নিরসন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, ইকো-টুরিজম গড়ে তোলা, বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করাসহ নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ওমর ফারুক বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, ‘১১ দলীয় জোটের সিদ্ধান্তে আমি এই আসনে নির্বাচন করছি। এলাকায় আমার অবস্থান ভালো।’ দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী কেন ভোট করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘জোটের বৃহত্তর স্বার্থে আমি নির্বাচন করছি।’
জোটের প্রার্থীর থাকার পরও শেষ মুহূর্তে ইশতেহার ঘোষণার বিষয়ে ডা. মো. আবু নাছের বলেন, ‘এলাকার মানুষের সেন্টিমেন্টকে গুরুত্ব না দিয়ে আমি পারিনি। শেষতক নির্বাচন করছি। এলাকার মানুষ আমাকে বেছে নেবেন বলে মনে করি।’

বিগত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে মানুষের মনে নির্বাচনে কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উদ্বেগ আছে। তবে সামগ্রিকভাবে নির্বাচন ভালো হবে এবং তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ারিং করার সুযোগ খুব একটা কার্যকর হবে না বলে মনে করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে ফলাফল যা-ই আসুক না কেন, বিএনপি তা মেনে নেবে এবং স্বাগত জানাবে।’ তিনি অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে মাত্র ৩০টি আসন পেয়েও বিএনপি সংসদে যোগ দিয়েছিল এবং ফলাফল মেনে নিয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে
ফজলুর রহমান বলেন, ‘চক্রান্ত বড় কঠিন ও গভীরে। সেই চক্রান্ত যে-ই করুক, কেউ যদি ভোট লুট করতে আসে, আপনারা ছেড়ে দেবেন না। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে ফলাফল নিয়ে মিছিল করে বাড়িতে আসবেন। যদি কেউ বলে, বাড়িতে চলে যাও, ভোট গণনা হবে, দুই দিন পরে রেজাল্ট; এসব কথা শুনতে যাবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে বলা হয়, ২২ জানুয়ারি শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে যে ‘আজাদী যাত্রা’ শুরু করেছিলেন, আজ তার সার্থক সমাপ্তি ঘটল সকালে ফজরের নামাজের পর শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত এবং শাহবাগ ফুল মার্কেটে জনসংযোগের মাধ্যমে।
৪ ঘণ্টা আগে