ডেস্ক রিপোর্ট

মাত্র আট বছর বয়সে কুসি-কাঁটার কাজ শিখেছিলেন আলেসান্দ্রা হেইডেন। শখের বশে সে কাজ শিখলেও ছোটবেলা থেকে তৈরি করেছেন অনেক ফরমায়েশি পণ্য। এবার সে কাজ করেই বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। সম্প্রতি টানা ৩৪ ঘণ্টা ৭ মিনিট ধরে কুসি-কাঁটার কাজ করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় নাম উঠিয়েছেন আলেসান্দ্রা।
আলেসান্দ্রা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে বলেন, ছোটবেলায় মাকে হারানোর পর দাদির কাছে মানুষ হয়েছেন তিনি। তাঁর দাদি নিজেও এ কাজ পছন্দ করতেন। দাদি ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না বলে কুসির কাজ শিখিয়ে ছোট আলেসান্দ্রাকে ব্যস্ত রাখতে চেয়েছিলেন।
হেইডেন বলেন, ‘আমি একজন বিশ্ব রেকর্ডধারী হতে চেয়েছিলাম। এমন কিছু করতে চেয়েছিলাম, যা আমার কাছে অর্থবহ হবে। আর এই দুইয়ের সঠিক সমন্বয় হলো এটাই। আমি কুসি-কাঁটার অন্য রেকর্ডগুলো নিয়ে ভেবেছিলাম। দেখেছি সেখানে সম্ভাবনা কত। পরে দেখলাম, এটি আমার জন্য ঠিক হবে। সেভাবেই কাজে লেগে গেলাম।’
হেইডেনের এই পদক্ষেপে পাশে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। চলতি বছরের ১৩ নভেম্বর গিনেস রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আলেসান্দ্রা হেইডেনকে কুসি-কাঁটা বুননের ম্যারাথন রেকর্ডধারী হিসেবে উল্লেখ করে।
হেইডেন যখন টানা ৩৪ ঘণ্টা কুসি-কাঁটায় কাজ করে যাচ্ছিলেন, তখন পুরো সময় পাশে বসে কাগজে কাজের হিসাব টুকে রেখেছেন তাঁর স্বামী। হেইডেন যাতে টানা কাজ করে দুর্বল না হয়ে যান, সে জন্য তাঁর মেয়ে একটু পরপর তাঁকে হালকা খাবার, পানি ও কফি খাইয়েছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লেখাতে টানা ৩৪ ঘণ্টা কুসি-কাঁটায় কাজ করে হেইডেন বুনেছিলেন একটি শাল। রেকর্ড হয়ে যাওয়ার পর শালটি তাঁর মেয়ের স্কুলে নিলামে তোলা হয়েছিল। হেইডেনের মেয়ের এক বন্ধু দুই হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে শালটি কিনে নেয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সোয়া দুই লাখ টাকা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, শালটি কিনে নিয়ে আবার হেইডেনকেই সেটি উপহার দিয়েছে তাঁর মেয়ের বন্ধু।

মাত্র আট বছর বয়সে কুসি-কাঁটার কাজ শিখেছিলেন আলেসান্দ্রা হেইডেন। শখের বশে সে কাজ শিখলেও ছোটবেলা থেকে তৈরি করেছেন অনেক ফরমায়েশি পণ্য। এবার সে কাজ করেই বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। সম্প্রতি টানা ৩৪ ঘণ্টা ৭ মিনিট ধরে কুসি-কাঁটার কাজ করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় নাম উঠিয়েছেন আলেসান্দ্রা।
আলেসান্দ্রা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে বলেন, ছোটবেলায় মাকে হারানোর পর দাদির কাছে মানুষ হয়েছেন তিনি। তাঁর দাদি নিজেও এ কাজ পছন্দ করতেন। দাদি ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না বলে কুসির কাজ শিখিয়ে ছোট আলেসান্দ্রাকে ব্যস্ত রাখতে চেয়েছিলেন।
হেইডেন বলেন, ‘আমি একজন বিশ্ব রেকর্ডধারী হতে চেয়েছিলাম। এমন কিছু করতে চেয়েছিলাম, যা আমার কাছে অর্থবহ হবে। আর এই দুইয়ের সঠিক সমন্বয় হলো এটাই। আমি কুসি-কাঁটার অন্য রেকর্ডগুলো নিয়ে ভেবেছিলাম। দেখেছি সেখানে সম্ভাবনা কত। পরে দেখলাম, এটি আমার জন্য ঠিক হবে। সেভাবেই কাজে লেগে গেলাম।’
হেইডেনের এই পদক্ষেপে পাশে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। চলতি বছরের ১৩ নভেম্বর গিনেস রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আলেসান্দ্রা হেইডেনকে কুসি-কাঁটা বুননের ম্যারাথন রেকর্ডধারী হিসেবে উল্লেখ করে।
হেইডেন যখন টানা ৩৪ ঘণ্টা কুসি-কাঁটায় কাজ করে যাচ্ছিলেন, তখন পুরো সময় পাশে বসে কাগজে কাজের হিসাব টুকে রেখেছেন তাঁর স্বামী। হেইডেন যাতে টানা কাজ করে দুর্বল না হয়ে যান, সে জন্য তাঁর মেয়ে একটু পরপর তাঁকে হালকা খাবার, পানি ও কফি খাইয়েছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লেখাতে টানা ৩৪ ঘণ্টা কুসি-কাঁটায় কাজ করে হেইডেন বুনেছিলেন একটি শাল। রেকর্ড হয়ে যাওয়ার পর শালটি তাঁর মেয়ের স্কুলে নিলামে তোলা হয়েছিল। হেইডেনের মেয়ের এক বন্ধু দুই হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে শালটি কিনে নেয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সোয়া দুই লাখ টাকা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, শালটি কিনে নিয়ে আবার হেইডেনকেই সেটি উপহার দিয়েছে তাঁর মেয়ের বন্ধু।

যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
৪ দিন আগে
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
৪ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
৪ দিন আগে
আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
১১ দিন আগে