
চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও উদ্যোক্তা পারভীন মাহমুদ পেয়েছেন সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) প্রদত্ত লাইফটাইম উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫। গতকাল মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে হোটেল সিনামন লাইফে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা দেওয়া হয়।
একই মঞ্চে উদ্বোধন হয় সিএমএ শ্রীলঙ্কার সিলভার জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং কনফারেন্স ২০২৫। আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পারভীন মাহমুদ বর্তমানে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ), মাইডাস ফাইন্যান্স, হারস্টোরি ফাউন্ডেশন ও শাশা ডেনিমসের চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি ইউসেপ–বাংলাদেশ ও অ্যাসিড সারভাইভরস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের (আইসিএবি) প্রথম নারী সভাপতি এবং সাফা বোর্ডের প্রথম নারী সদস্য ও সভাপতি। সাফার ইতিহাসে এটি নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী অর্জন।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন পারভীন মাহমুদ। তিনি লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের প্রগ্রেসিভ মেলভিন জোন্স ফেলো এবং ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে টপ ৫০ প্রফেশনাল অ্যান্ড ক্যারিয়ার উইমেন অ্যাওয়ার্ডস অর্জন করেন।

ব্যাপারটি বেশ গোলমেলে। যখন বাগানভরা ফুল থাকে শীতকালে এবং বেশির ভাগ মানুষ বাণিজ্যিক বাগান থেকে ফুল বিক্রি করেন, তখন তিনি বাগানে ফুটে থাকা ফুলের ছবি তোলেন, কিংবা ভিডিও করেন; কিন্তু বিক্রি করেন না। বসন্ত পেরিয়ে বাগান যখন উঠে যাওয়ার কথা পরবর্তী মৌসুমের ফুল চাষের জন্য প্রস্তুত হতে, তখনই তাঁর ব্যবসা শুরু
১ দিন আগে
কেন্টের সেভেনওকসে গড়ে ওঠা একটা রেস্তোরাঁ শয়েন শয়েন। এর মূল ভিত্তি সিয়েরা লিওনের স্বাদ আর আভিজাত্যের মিশেল। যাঁর হাত ধরে এই হেঁশেলের উনুনে আগুন জ্বলে, তাঁর নাম মারিয়া ব্র্যাডফোর্ড। তিনি অবশ্য নিজের কাজকে ব্যাখ্যা করেন অন্যভাবে। মারিয়া বলেন, ‘শয়েন শয়েন হলো ২০১৬ সালে আমার জন্ম দেওয়া এক ভালোবাসার সন্ত
১ দিন আগে
গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১৯০ জন নারী এবং কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, এই ১৯০ জনের মধ্যে নারী ১১৯ এবং কন্যাশিশু ৭১।
১ দিন আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে ফরেন মিনিস্ট্রিতে নিযুক্ত প্রথম নারী রুথ ব্রায়ান ওয়েন। ১৯৩৩ সালের ১৩ এপ্রিল তিনি দায়িত্ব পান ডেনমার্কে যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে। তবে এই পথে ছিল আইনি বাধা। আর সেই বাধা অতিক্রম করেই দায়িত্ব নিতে হয় রুথকে।
১ দিন আগে