ভারতের জনপ্রিয় সংগীত তারকা প্রয়াত বাপ্পি লাহিড়ির ‘জিমি জিমি’ গান হয়ে উঠেছে কিনা আন্দোলনের প্রতীক। তাও আবার চীনের মতো দেশে। ১৯৮২ সালে আরেক তারকা মিঠুন চক্রবর্তীর ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ সিনেমার এই গান গেয়ে লকডাউনের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন অনেকে।
এনডিটিভির খবরে জানা যায়, বাপ্পি লাহিড়ির সুরে ‘জিমি জিমি’ গানটি একটু বদলে ‘জিয়ে মি জিয়ে মি’ গাচ্ছে চীনা নেটিজেনারা। মান্দারিন ভাষায় ‘জিয়ে মি’ অর্থ ‘আমাকে ভাত দাও’। করোনার বিধিনিষেধে ত্যক্ত–বিরক্ত হয়েই এই অভিনব পথ বেছে নিয়েছে তাঁরা। চীনা সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো ‘ট্রেন্ডিং’ এই গান।
মান্দারিন ভাষার গানটির অনুবাদ করলে বাংলায় দাঁড়ায়–‘আমায় ভাত দাও, ভাতের জন্য আমাকে বাইরে বেরোতেই হবে।’ চীনের ‘জিরো কোভিড’ নীতির প্রতিবাদে এই গান গাওয়া হচ্ছে। করোনার কারণে আরোপিত বিধিনিষেধ বন্ধ করার দাবি জানানো হচ্ছে এই গানের মাধ্যমে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের মতো যেসব নির্দেশাবলি জারি করেছে প্রশাসন, তাতে খুশি নন দেশটির জনগণ। বিধিনিষেধের ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই বাপ্পি লাহিড়ির গান দিয়ে এভাবেই প্রশাসনের ‘জিরো কোভিড’ নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন অনেকে।
যদিও হিন্দি গানের জনপ্রিয়তা চীনে নতুন কিছু নয়। এর আগেও দেশটিতে বলিউডের প্রভাবের প্রমাণ মিলেছে। ১৯৫০-৬০ দশকের হিন্দি ছবি নিয়েও মাতামাতি ছিল। হালের ‘থ্রি ইডিয়টস’, ‘সিক্রেট সুপারস্টার’, ‘হিন্দি মিডিয়াম’, ‘দঙ্গল’, ‘আন্ধাধুন’-এর মতো ছবিও চীনের বক্স অফিসে দারুণ সাড়ে ফেলেছে।

দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে একটি খুলি উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই যাত্রী এটিকে বানরের খুলি বলে দাবি করেছেন...
১৬ ঘণ্টা আগে
কানাডায় এক শিশু সিটবেল্ট পরতে অস্বীকৃতি জানানোয় একটি ফ্লাইটই বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনা বিমানে শিশুদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার ও নিরাপত্তাবিধি নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ দিন আগে
প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসেন মাতাল হয়ে। স্কুল চত্বরে মলত্যাগ করে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন পরিষ্কার করতে। গুটখা খেয়ে পিক ফেলে স্কুলের দেয়াল ভরিয়ে ফেলেন। আর বসে বসে ইউটিউবে ভিডিও দেখেন। এমন সব গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের মাইহার জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের...
৪ দিন আগে
অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্মে জন্মদিনের কেক অর্ডার করেছিলেন চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের বাসিন্দা লিউ। কেক ডেলিভারি পাওয়ার পর দেখলেন, কেক যেসব ফুল দিয়ে সাজানো সেগুলো খাওয়ার উপযোগী নয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন তিনি। এই অভিযোগের সূত্র ধরে বেরিয়ে আসে এমন সব তথ্য যা থেকে
৫ দিন আগে