
পাঠকেরা পড়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লাইব্রেরিতে বই ফেরত দিয়ে দেবেন এটাই নিয়ম। কারও কারও সময়মতো বই ফেরত না দেওয়ার অভ্যাসও আছে। তবে তাই বলে আপনি নিশ্চয় আশা করবেন না, অর্ধ শতাব্দী পর কেউ বই ফেরত দেবেন। কিন্তু সত্যি, মার্কিন মুলুকে এমন একটি কাণ্ড হয়েছে।
পেনসিলভানিয়ার এক পাঠাগারের এই বই ফেরত দেওয়ার সময় ছিল ৫১ বছর আগে। সেটাই সম্প্রতি ফেরত দিয়েছেন বইটি নেওয়া লাইব্রেরির সেই সদস্য।
জেরি ক্র্যামারের সম্পাদনা করা ‘লম্বার্ডি: উইনিং ইজ দ্য অনলি থিং’ নামের বইটি ফেরত দেওয়ার কথা ছিল ১৯৭৩ সালের ২৬ জুলাই। আর টাইটাসভেলের বেনসন মেমোরিয়াল লাইব্রেরি এটা ফেরত পেল ২০২৪ সালের শেষ দিকে এসে।
‘আমরা ২০২১ সালে জরিমানা মুক্ত করে দিয়েছি। কিন্তু জরিমানা কত হবে তা গুনে এমনকি সুদ যোগ করে অর্থসহ বইটি লাইব্রেরিতে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায় লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ।
পাঠাগারটির নির্বাহী পরিচালক জেসিকা হিলবার্ন জানান, বইটি পাঠকেরা পড়ার জন্য বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন না। তার বদলে এটি প্রদর্শনের জন্য পাঠাগারটির অফিসরুমে সংরক্ষণ করা হবে।
এরি টাইমস নিউজকে বইটি ফেরত দেওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘লাইব্রেরির প্রতি তাঁর এই ভালোবাসা সত্যি দারুণ। এমনকি তিনি শেষবার তাঁর শেষ বইটি নেওয়ার ৫১ বছর পরেও লাইব্রেরির কথা মনে রেখেছেন এবং আমরা যে পরিষেবাগুলি দিই, তার প্রশংসা করেছেন।’

ক্যানসারে আক্রান্ত, তাই কেমোথেরাপিসহ নানান জটিল চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এক তরুণী। কিন্তু ১১ বছর পর জানা গেল, ওই তরুণী কোনো দিন ক্যানসারেই আক্রান্ত ছিলেন না। তিনি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) ভুল চিকিৎসার শিকার...
৮ দিন আগে
বারবার পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছেন এক মাদক কারবারি। আর তাঁকে এতে সাহায্য করেছে প্রযুক্তি। শেষমেশ প্রযুক্তির বেড়াজালেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মেট্রোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই মাদক কারবারি ধরা পড়েন একটি পাবলিক ওয়াই-ফাইতে তাঁর একটি ডিভাইস কানেক্টেড হয়ে যাওয়ায়।
১২ দিন আগে
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্য যেকোনো বয়সী মানুষের তুলনায় বেশি উদ্বিগ্ন জেন জেড বা জেন–জি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্যদের তুলনায় উদ্বিগ্ন হলেও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী এই প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গোসল করেন।
১৩ দিন আগে
তাঁর কাছে শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়। প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরাও যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন তিনি। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে পড়াতে প্রতিদিন প্রায় ৫ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দেন ৫৫ বছর বয়সী জীবন মিথারি।
১৩ দিন আগে