ইতিহাসের পাতায় ঘৃণিত ব্যক্তিদের তালিকায় নিশ্চিত ওপরের দিকেই থাকবে অ্যাডলফ হিটলারের নাম। তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গণহত্যার জন্য কুখ্যাত হিটলারই মনোনীত হয়েছিলেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য! তাও আবার বিশ্বযুদ্ধের বছরেই।
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। একই বছরের শুরুতে নোবেল কমিটির কাছে এক চিঠিতে হিটলারকে শান্তি পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করেন সুইডিশ পার্লামেন্টের সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মেম্বার এরিক গটফ্রিড ক্রিশ্চিয়ান ব্র্যান্ডট। এই মনোনয়নের চিঠি দেওয়ার ফলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ব্র্যান্ডট। সমালোচনার মুখে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন তিনি। সেদিনই ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন।
পরবর্তী সময়ে সুইডিশ পত্রিকা সভেন্সকা মর্গনপোস্টেনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্র্যান্ডট বলেন, কেবল বিদ্রুপ করার উদ্দেশ্যেই হিটলারকে মনোনয়ন দিয়ে কমিটির কাছে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন। চেম্বারলেইনের মনোনয়ন পাওয়াই মূলত খেপিয়ে দিয়েছিল ব্র্যান্ডটকে। এ জন্যই তিনি হিটলারকেও মনোনয়ন দিয়ে চিঠি লেখেন।
১৯৩৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সুইডিশ পার্লামেন্টের ১২ জন সদস্য তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইনকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেন। এর পক্ষে তাঁরা যুক্তি দেন, চেম্বারলেইন ১৯৩৮ সালের সেপ্টেম্বরে হিটলারের সঙ্গে মিউনিখ চুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি রক্ষা করেছিলেন।

প্রায় ৪৪ বছর আগে ১০ বছর বয়সী এক কিশোরীর লেখা একটি চিঠি পাওয়া গেছে যুক্তরাজ্যের এসেক্সের হকলিতে। বাড়ির সিঁড়ির ভেতরের একটি ফাঁকা জায়গায় লুকিয়ে রাখা ছিল চিঠিটি। সম্প্রতি বাড়ির সংস্কারকাজের সময় এটি উদ্ধার করেন এক নির্মাণকর্মী।
২ দিন আগে
ক্যানসারে আক্রান্ত, তাই কেমোথেরাপিসহ নানান জটিল চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এক তরুণী। কিন্তু ১১ বছর পর জানা গেল, ওই তরুণী কোনো দিন ক্যানসারেই আক্রান্ত ছিলেন না। তিনি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) ভুল চিকিৎসার শিকার...
১০ দিন আগে
বারবার পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছেন এক মাদক কারবারি। আর তাঁকে এতে সাহায্য করেছে প্রযুক্তি। শেষমেশ প্রযুক্তির বেড়াজালেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মেট্রোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই মাদক কারবারি ধরা পড়েন একটি পাবলিক ওয়াই-ফাইতে তাঁর একটি ডিভাইস কানেক্টেড হয়ে যাওয়ায়।
১৪ দিন আগে
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্য যেকোনো বয়সী মানুষের তুলনায় বেশি উদ্বিগ্ন জেন জেড বা জেন–জি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্যদের তুলনায় উদ্বিগ্ন হলেও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী এই প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গোসল করেন।
১৫ দিন আগে