পালিয়ে এক রেসের হাজির হয় রেলস্টেশনে। ট্রেনে ইতস্তত ঘুরে বেড়ানোতেই থেমে ছিল না তার কাচ। ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করতে এবং এক যাত্রীকে তাড়া করতেও দেখা যায় ঘোড়াটিকে।
এসব তথ্য জানা যায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের (ইউপিআই) এক প্রতিবেদনে।
আশ্চর্য এই কাণ্ড অস্ট্রেলিয়ার সিডনির এক রেলস্টেশনের। সরকারি যাতায়াত বিষয়ক সংস্থা ট্রান্সপোর্ট ফর নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) ফেসবুকে নিরাপত্তা ক্যামেরায় তোলা কিছু ছবি পোস্ট করার পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে ভিডি দেয় ঘটনাটির। এতে দেখা যায় হলদে বাদামি রঙের রেইনকোট পরিহিত ঘোড়াটি প্রবল ঝড়ের মধ্যে ওয়ারউইক ফার্ম স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ইতস্তত ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ট্রান্সপোর্ট ফর এনএসডব্লিউ জানায়, একটি ট্রেন স্টেশনে প্রবেশের সময় এটি এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিল যেন এটি ওটায় চড়তে চাচ্ছে। তারপর একটু ঘোরা-ফেরা করে একে আবার ট্রেনের দিকে দৌড়ে আসতে দেখা যায়। তবে ঘোড়াটির উপস্থিতি টের পেয়ে যাওয়ায় দরজা খোলা হয়নি ট্রেনের।
একপর্যায়ে প্রাণীটি প্ল্যাটফর্মের এক যাত্রীকে ধাওয়া করে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো অঘটন ছাড়াই একে ফাঁকি দিতে পারেন তিনি।
পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয় দ্রুত। তারপর ঘোড়াটির মালিক এসে একে বাড়ি নিয়ে যান।
ট্রান্সপোর্ট অব এনএসডব্লিউর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ঘোড়াটিকে মোটামুটি শান্ত অবস্থায় তার বাসায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কেউই এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী নন।’

ক্যানসারে আক্রান্ত, তাই কেমোথেরাপিসহ নানান জটিল চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এক তরুণী। কিন্তু ১১ বছর পর জানা গেল, ওই তরুণী কোনো দিন ক্যানসারেই আক্রান্ত ছিলেন না। তিনি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) ভুল চিকিৎসার শিকার...
২ দিন আগে
বারবার পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছেন এক মাদক কারবারি। আর তাঁকে এতে সাহায্য করেছে প্রযুক্তি। শেষমেশ প্রযুক্তির বেড়াজালেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মেট্রোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই মাদক কারবারি ধরা পড়েন একটি পাবলিক ওয়াই-ফাইতে তাঁর একটি ডিভাইস কানেক্টেড হয়ে যাওয়ায়।
৬ দিন আগে
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্য যেকোনো বয়সী মানুষের তুলনায় বেশি উদ্বিগ্ন জেন জেড বা জেন–জি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্যদের তুলনায় উদ্বিগ্ন হলেও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী এই প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গোসল করেন।
৭ দিন আগে
তাঁর কাছে শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়। প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরাও যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন তিনি। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে পড়াতে প্রতিদিন প্রায় ৫ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দেন ৫৫ বছর বয়সী জীবন মিথারি।
৭ দিন আগে