
বাংলাদেশে একের পর এক তথ্য ফাঁসের (ডেটা ব্রিচ) ঘটনা সামনে আসছে। তবে এসব ঘটনার বেশির ভাগই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিজেরা শনাক্ত করতে পারছে না। এতে শুধু নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাই নয়, দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর ডেটা সুরক্ষা ও নজরদারি সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

দেশে সাইবার স্পেসে নাগরিকের তথ্য সুরক্ষা নিয়ে দিনে দিনে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রায়ই ডেটা ব্রিচ, ডার্ক ওয়েবে নাগরিকদের তথ্য বিক্রির অভিযোগ উঠছে হ্যাকার গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অতি সম্প্রতি ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির জীবনবৃত্তান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে হ্যাকাররা। এসব বিষয়সহ তথ্য সুর

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট হ্যাকারেরা সামরিক, কূটনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রের লক্ষ্যবস্তুতে সাইবার হামলা জোরদার করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান জেনিয়ানসের (Genians) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ওপেনএআই তাদের কিছু উন্নত এআই মডেলকে একটি নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার মধ্যে রেখে পরীক্ষা করছিল। কিন্তু পরীক্ষার সময় ওই এআই মডেলগুলো সেই নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে সাইবার হামলা চালানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে।